০৭:০৫:৫৩ বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮

সর্বশেষ সংবাদ :


বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০১:২১:৩১

পল্লীর পৌনে দুই লাখ ভোটারকে টার্গেট করে নানা কৌশলে প্রার্থীরা

পল্লীর পৌনে দুই লাখ ভোটারকে টার্গেট করে নানা কৌশলে প্রার্থীরা

শাহজাদা মিয়া আজাদ, রংপুর : রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিই পল্লী এলাকা। তিন লাখ ৯৩ হাজার ৮৯৪ জন ভোটারের মধ্যে এক লাখ ৭৫ হাজার ৭৮৯ জনই পল্লী এলাকায় বাস করেন। গত পাঁচ বছরে পল্লী এলাকার বাসিন্দাদের ভাগ্যে জোটেনি ন্যূনতম কোনো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। কাগজে-কলমে সিটির বাসিন্দা হয়েই দিন কাটছে তাদের।

এবারের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের কাছে ১৮টি ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রধান দাবি এলাকার উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সমান অধিকার। ভোটাররা চান মেয়র নির্বাচিত হয়ে তাদের দাবি বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার। পল্লী এলাকার ভোটারদের মন জয় করার পাশাপাশি ভোট আদায়ে নির্বাচনী সব কৌশল নিয়ে মাঠে নেমেছেন মেয়র প্রার্থীরা।

মেয়র প্রার্থীদের সবারই টার্গেট পল্লী এলাকার পৌনে দুই লাখ ভোট। ৫২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের রংপুর পৌরসভা পাঁচ বছর আগে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ায় তার আয়তন হয়েছে ২০৩ বর্গকিলোমিটার। আকারে বাড়লেও পাঁচ বছরে বাড়েনি নাগরিক সুবিধা। ১৫১ বর্গকিলোমিটার বর্ধিত এলাকার নাগরিকদের ভাগ্যে নগরীর কোনো সুযোগ-সুবিধাই জোটেনি।

অথচ গুনতে হচ্ছে বাড়তি কর। এখনো নগরীর বর্ধিত অংশে পল্লী বিদ্যুৎ রয়ে গেছে। এতে সিটির নাগরিক হয়েও বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ইউনিটপ্রতি বিল ৩ টাকা ৫৩ পয়সা। আর পল্লী বিদ্যুতের ৩ টাকা ৮৭ পয়সা। সিটিতে বসবাস করেও বর্ধিত এলাকার বাসিন্দাদের এখনো ৩৪ পয়সা অতিরিক্ত বিল বেশি দিতে হচ্ছে।

নগরীর পুরনো ছয়টি ওয়ার্ডে নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু হলেও ১৮টিতে একটিও হয়নি। পানি সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা নেই। সড়কে বাতিও জ্বলে না। বাড়তি কর দিয়েও কাঙ্ক্ষিত নাগরিকসেবা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ বর্ধিত এলাকার বাসিন্দারা। ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের এনজিও কর্মী রাশেদা আখতার বলেন, আমরা আর কাগজে-কলমে সিটির বাসিন্দা হয়ে থাকতে চাই না। এবার ভোট নিতে হলে মেয়র প্রার্থীদের শপথ করেই ভোট নিতে হবে।

নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মানজাই এলাকার স্কুলশিক্ষক মমদেল হোসেন বলেন, ‘আমরা শুধু নামেই সিটির বাসিন্দা। পাঁচ বছরে নাগরিক কোনো সুযোগ-সুবিধাই পাইনি। এবার আর প্রতিশ্রুতি শুনতে চাই না, মেয়র নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে মেয়র পদপ্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলেও আমার প্রথম কাজ হবে পল্লী এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা। কারণ শহরের চেয়ে পল্লী এলাকার ভোটাররা সহজ-সরল। মোট ভোটের বড় অংশ পল্লী এলাকায়। তাই পল্লীর ভোটারদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।   

স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ বলেন, আমি যে ভোট পাব তার বেশির ভাগই আসবে সুবিধাবঞ্চিত পল্লী এলাকা থেকে। এ জন্য আমি পল্লী এলাকায় প্রচারণা জোরদার করেছি। আর জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদের আদর্শ হচ্ছে পল্লীর মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। সে আদর্শ নিয়েই আমরা পল্লীর ১৮টি ওয়ার্ডের ভোটারদের ভোট আদায়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।  

আজ সিইসির সঙ্গে মতবিনিময় : নির্বাচন সামনে রেখে দুই দিনের সফরে গতকাল সন্ধ্যায় রংপুরে এসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তিনি আজ সকালে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পরে রংপুর জিলা স্কুল মিলনায়তনে মেয়র, সংরক্ষিত নারী ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী এবং সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এ তথ্য দেন রিটার্নিং ও রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার। - বিডি প্রতিদিন

এমটিনিউজ/এসএস



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


যে কারণে মানুষ সৃষ্টিতে কান্না করেছিল মাটি, জানলে আপনিও কাঁদবেন

যে-কারণে-মানুষ-সৃষ্টিতে-কান্না-করেছিল-মাটি-জানলে-আপনিও-কাঁদবেন

সৌদির আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা

সৌদির-আন্তর্জাতিক-কুরআন-প্রতিযোগিতার-চূড়ান্ত-বিজয়ীর-নাম-ঘোষণা

পাগলা মসজিদের দানবাক্সের সোয়া কোটি টাকা কী করা হবে?

পাগলা-মসজিদের-দানবাক্সের-সোয়া-কোটি-টাকা-কী-করা-হবে- ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই: স্টিফেন হকিং

সৃষ্টিকর্তা-বলে-কেউ-নেই-স্টিফেন-হকিং

সৌদির অবরোধ কাতারে যেভাবে এনে দিল কৃষি বিপ্লব!

সৌদির-অবরোধ-কাতারে-যেভাবে-এনে-দিল-কৃষি-বিপ্লব-

৯ বছরের নাবালক রাজাকে ফাঁকি দিয়ে কোহিনূর ‘ছিনতাই’ করেছিল ইংরেজরা!

৯-বছরের-নাবালক-রাজাকে-ফাঁকি-দিয়ে-কোহিনূর-‘ছিনতাই’-করেছিল-ইংরেজরা- এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


যে কারণে মানুষ সৃষ্টিতে কান্না করেছিল মাটি, জানলে আপনিও কাঁদবেন

২৫৬ বছর বাঁচলেন তিনি! কী খেয়ে বাঁচলেন মৃত্যুর আগে জানালেন

মুশফিক তেমন খেলোয়ার নয়, তার সাথে এটি হতে পারেনা: পাপন

বিয়ের পর ওজন কমানোর প্রতিশ্রুতি, দম্পতির তাক লাগানো চেহারা দেখুন!

পাঠকই লেখক


যদি ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে জন্মে থাকেন, তারা পড়ে আবেগাপ্লূত হয়ে যাবেন!

যদি-১৯৮৫-৯৫-সালের-মধ্যে-জন্মে-থাকেন-তারা-পড়ে-আবেগাপ্লূত-হয়ে-যাবেন-

এক লোক ঘরে ঢুকে দেখে স্ত্রী কান্নাকাটি করছে ,কারণ...

এক-লোক-ঘরে-ঢুকে-দেখে-স্ত্রী-কান্নাকাটি-করছে-কারণ

এক গ্রামে ছিল তিন বোকা...

এক-গ্রামে-ছিল-তিন-বোকা পাঠকই সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ