বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১০:৩০:১১

রিকশাচালক এখন দিনে ১০ কেজি চাল কেনেন: কামরুল ইসলাম

রিকশাচালক এখন দিনে ১০ কেজি চাল কেনেন: কামরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক: খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, 'মানুষের আয়-উপার্জন বেড়েছে। একজন রিকশাচালক দিনে ৭০০-১০০০ টাকা আয় করেন। তারা দৈনিক ৭-১০ কেজি চাল কেনেন। উত্তরবঙ্গে এখন কোনো মঙ্গা নেই। মানুষের আয় বেড়েছে, সামর্থ্য বেড়েছে।'

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, ভিশন ২০২১-এ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্য সামনে রেখেই ১৪৫টি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশে হতদরিদ্রের সংখ্যা ১২ শতাংশ এবং দরিদ্রের সংখ্যা ২৪ শতাংশ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যেকটা মানুষের আয় বেড়েছে, আয়ের উৎস বেড়েছে। এটা অস্বীকার করা যাবে না।

সম্মেলনের সভাপতি ও পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, সরকারের একার পক্ষে সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়ন কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। হাওরের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাওরে যেখানে বাঁধ দেওয়ার কথা ছিল, সেখানে তা না হওয়ায় আজকের এই পরিণতি। বিষয়গুলো আগে থেকে তদারকির প্রয়োজন ছিল। হাওরে এখনও বীজ লাগানোর পরিবেশ হয়নি। এতে বোঝা যায় আগামী ফসল আসতে অনেক দেরি হয়ে যাবে।

অন্য বক্তারা বলেন, জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কৌশল অনুযায়ী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি মাঠ পর্যায়ে যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে না। প্রতি বছর বরাদ্দ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও ভুল লোক নির্বাচন করা হচ্ছে। নগর দরিদ্রদের জন্যও কোনো কর্মসূচি নেই। সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী না হওয়ার কারণেই এ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড ভিশন ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সহায়তায় খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (কর্মসূচি) ও অতিরিক্ত সচিব আবু মোহাম্মদ ইউসুফ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও কর্মসূচি) এম খালিদ মাহমুদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি এম ম্যানফ্রেড ফার্নহোলজ ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ।
এমটিনিউজ২৪.কম/টিটি/পিএস

 

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে