০১:৪৪:১৯ সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮


বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১০:৫৭:৪৩

বাবা-মায়ের খোঁজে পাবনার পথে পথে ঘুরছেন ডেনিশ নাগরিক মিন্টো!

বাবা-মায়ের খোঁজে পাবনার পথে পথে ঘুরছেন ডেনিশ নাগরিক মিন্টো!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক:  ৪১ বছর পর হারিয়ে যাওয়া বাবা-মার সন্ধানে স্ত্রীকে নিয়ে পাবনার পথে পথে ঘুরছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডেনিশ নাগরিক মিন্টো কারস্টেন সোনিক। ছয় বছর বয়সে হারিয়ে যাওয়া মিন্টো জানেন না তার বাবা-মা এমনকি গ্রামের নাম।

শুধু এটুকু মনে আছে তার-পাবনার নগরবাড়ি ঘাট থেকে সে হারিয়ে যায়। ছোটবেলার একটি ছবিকে সম্বল করে নিজের পরিবার ফিরে পেতে পাবনার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

হারিয়ে যাওয়ার সময়কার তার ছবি দেখিয়ে জানতে চাইছেন কেউ এই ছেলেটিকে চেনেন কিনা?

মিন্টোর বিলি করা লিফলেট থেকে জানা যায়, ১৯৭৭ সালে ছয় বছর বয়সে পাবনার নগড়বাড়ি ঘাটে হারিয়ে যান মিন্টো। সেখান থেকে চৌধুরী কামরুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি মিন্টোকে পৌঁছে দেন ঢাকার এক আশ্রমে। ১৯৭৮ সালে ওলে ও বেনফি নামের ডেনিশ দম্পতি দত্তক নিয়ে ডেনমার্ক নিয়ে যান মিন্টোকে।

বুধবার পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে মিন্টো বলেন, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে সস্ত্রীক পাবনায় আসেন তিনি। কিছুদিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন পাবনায় স্বাধীন বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। আত্মপরিচয় অনুসন্ধানে চলে আসেন বাংলাদেশের পাবনায়।

জানান, ছেলেবেলার কোনো স্মৃতিই মনে নেই মিন্টোর। জানেন না বাংলা ভাষা। তবে, পেশায় চিত্রশিল্পী মিন্টোর গায়ের রং জানান দেয় তার বাঙালি পরিচয়।

মিন্টো জানান, পুরনো কাগজ ঘেঁটে জেনেছেন মাত্র ৬ বছর বয়সে পাবনার বেড়া উপজেলার নগরবাড়ি ঘাট এলাকা থেকে হারিয়ে যান তিনি। সেখান থেকে ঢাকার ঠাঁটারীবাজার টেরিডেস হোমস নামের শিশুসদনে ছিলেন। পরে শিশুসদন থেকে ১৯৭৮ সালে ডেনমার্কের এক নিঃসন্তান দম্পতি মিন্টোকে দত্তক নিয়ে যায়। সেখানেই তার শৈশব-কৈশোর কাটে। বিত্ত বৈভবের মাঝে লেখাপড়া শিখে বড় হন। পেশায় একজন চিত্রশিল্পী তিনি।

ডেনমার্কের নাগরিক এনিটি হোলমিহেভ নামের এক চিকিৎসককে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে।

মিন্টোর স্ত্রী এনিটি হোলমিহেভ বলেন,আগে মিন্টোর তেমন সমস্যা ছিল না। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তিনি হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করেন। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে খুবই দুর্ব্যবহার করতেন। মাঝেমধ্যেই মেজাজ খিটমিটে হয়ে যেত, কোনো কিছুই ভালো লাগত না তার। অবশেষে পরিবারের সবার সিদ্ধান্তে ছোটবেলার একটি ছবিকে অবলম্বন করে ছুটে আসেন পাবনায়।

মিন্টো বলেন, ডেনমার্কে আমার পালক বাবা-মা ও স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে খুব সুখেই আছি, তবুও আমার অন্তর এখনো বারবার কেঁদে ওঠে বাংলাদেশের বাবা-মা ও স্বজনদের জন্য। মনে হয় স্বজনদের পেলে তার জীবনটা সম্পূর্ণ হয়ে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, বাবা-মা ও স্বজনদের কথা মনে হলে আমি প্রচণ্ড শূন্যতা অনুভব করি। যদি বাবা, মায়ের খোঁজ পাই তাহলে সেটা অসাধারণ হবে। না পেলে মৃত্যুর আগে জানব তাদের খুঁজে পেতে আমি চেষ্টা করেছিলাম।

বাংলাদেশে এসে কেমন লাগছে জানতে চাইলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডেনিশ নাগরিক মিন্টো বলেন, প্রতিটি মানুষকে আমার আপন মনে হচ্ছে, আমার চেহারার সঙ্গে তাদের মিল। যেন আমি আয়নায় নিজেকেই দেখছি।

মিন্টোর স্ত্রী এনিটি হোলমিহেভ বলেন, মিন্টোর এ দেশে কাটানো শৈশবের কোনো স্মৃতিই মনে নেই। যে আশ্রমে সে ছিল তারও অস্বিত্ব খুঁজে পাইনি। ছোটবেলার দুই একটি ছবি ছাড়া কোনো সূত্র নেই। জানি তার স্বজনদের খুঁজে পাওয়া এটা খুব কঠিন কাজ।এরপরও এক বুক আশা নিয়ে পাবনার পথে পথে মিন্টোর শেকড় খুঁজে বেড়াচ্ছি।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। পুলিশের পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগিতা করার আমরা করছি। ইতিমধ্যেই তিনি পাবনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমাদের পাশাপাশি দেশের গণমাধ্যমগুলোরও মিন্টুর পাশে দাঁড়ানো দরকার।



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


যে আমলে মনবাসনা পূরণ হয়

যে-আমলে-মনবাসনা-পূরণ-হয়

হুসাইন (রা.) ও কারবালা ট্র্যাজেডি

হুসাইন-রা-ও-কারবালা-ট্র্যাজেডি

ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিতে বিবস্ত্র হয়ে কি গোসল করা যাবে?

ইসলামের-দৃষ্টিভঙ্গিতে-বিবস্ত্র-হয়ে-কি-গোসল-করা-যাবে- ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


ট্রেনে দাড়ি কামিয়ে ৩৭ লাখ টাকার বেশি 'রোজগার' তার!

ট্রেনে-দাড়ি-কামিয়ে-৩৭-লাখ-টাকার-বেশি--রোজগার--তার-

দিনের পর দিন বিষধর সাপের ছোবলেও বেঁচে আছেন তারা!

দিনের-পর-দিন-বিষধর-সাপের-ছোবলেও-বেঁচে-আছেন-তারা-

ক্ষুধা পেলেও খালি পেটে ভুলেও খাবেন না যে ৪ খাবার

ক্ষুধা-পেলেও-খালি-পেটে-ভুলেও-খাবেন-না-যে-৪-খাবার এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


টস জিতে দুই পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

কোপটা পড়ল রুবেলের উপরই!

শুরুতেই দুই উইকেট শেষ বাংলাদেশের

৩,৬৪১ কি.মি. পাড়ি দিয়ে ইমরুলের হাফসেঞ্চুরি

পাঠকই লেখক


আমি কেঁদেই ফেলছি....... আপনারা ও ১টু মনটাকে হালকা করে মন দিয়ে পড়ুন....

আমি-কেঁদেই-ফেলছি-আপনারা-ও-১টু-মনটাকে-হালকা-করে-মন-দিয়ে-পড়ুন

ছেলেটাকে আপনার কী মনে হচ্ছে?

ছেলেটাকে-আপনার-কী-মনে-হচ্ছে-

প্রিয় রুবেলকে দেশবাসী দেখতে চায় আরও আগ্রাসী রূপে

প্রিয়-রুবেলকে-দেশবাসী-দেখতে-চায়-আরও-আগ্রাসী-রূপে পাঠকই সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ