০৮:৫৩:৪৯ মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮


মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০১:৪১:০৬

কোটিপতি রোহিঙ্গা পরিবারটি এখন পথের ফকির

কোটিপতি রোহিঙ্গা পরিবারটি এখন পথের ফকির

কুতুপালং (কক্সবাজার) থেকে  : মিয়ানমারের টম বাজার এলাকায় খালেদা বেগম ছিলেন এক বিত্তশালী পরিবারের সদস্য। মুসলিম অধ্যুষিত ওই বাজারে তারাই ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী। তাদের হার্ডওয়্যার, মুদির দোকানসহ বেশকিছু দোকান ছিল, যা অন্তত কোটি টাকা মূল্যের। বাড়িও ছিল ওই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কোটিপতি থেকে মুহূর্তেই হয়ে গেলেন পথের ফকির।

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের মুখে সব দোকান, বাড়িসহ সহায় সম্পত্তি ফেলে চলে আসেন বাংলাদেশে। ১৫ দিনে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অনেক কষ্টে নাফ নদ ও কাঁটাতারের সীমারেখা পার হতে হয় তাদের। তবে তারা আসার পরপরই জানতে পেরেছেন, দোকান পাট ও বাড়িঘর জালিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত দুই দিন হলো লাম্বাবিল হয়ে কুতুপালং এসে তার আশ্রয় জুটেছে খোলা আকাশের নিচে। এখনো কোনো তাঁবু পাননি। মেলেনি কোনো ত্রাণও।

কুতুপালং সড়কের কাছে একটি নালার কিনারে কচু বাগানে বসে থাকতে দেখা যায় তাকে। অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন অজানা, অচেনা পথের দিকে। সবকিছুই তার কাছে অপরিচিত। তার কোলজুড়ে ৩ মাসের একটি বাচ্চাকেও কান্না করতে দেখা যায়। গতকাল দুপুরে যখন খালেদা বেগমের সঙ্গে কথা হয় তখন তিনি ছিলেন ক্ষুধার্ত। কিন্তু চেহারায় ছিল আভিজাত্যের ছাপ। ডান হাতে ছিল একটি গোল্ডেন রঙের ঘড়ি। পরনের পোশাকও ছিল অনেকটা মার্জিত। কিন্তু লজ্জায় ত্রাণের জন্য হাত পাততে পারছিলেন না।

তিনি জানান, বাংলাদেশে আসার পথে দুই লাখ মিয়ানমারের মুদ্রা কিয়াট নিয়ে আসলেও দালালদের খপ্পরে পড়ে আড়াই হাজার টাকায় তা বিক্রি করে দেন। গত দুই দিন কষ্ট করে এই টাকা দিয়ে পানি আর শুকনো কিছু খাবার কিনে বাচ্চাদের কোনোমতে খাওয়ান। কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যরাও না খেয়ে পথেই বসে রয়েছেন।

খালেদা খানম বলেন, টম বাজার এলাকায় তারা ছিলেন রাজার হালে। কোনো কিছুর অভাব ছিল না। তাদের প্রায় ১২ একর জমি ছিল। ত্রিশটির মতো গরু ছিল। দোকান পাট ছাড়াও আরও কিছু সম্পদ ছিল। সব মিলিয়ে হবে কোটি টাকার। এখন কার কাছে যাব, কি করব কিছুই দিশা পাচ্ছেন না তিনি। যৌথ পরিবারের সদস্য আলেয়া বেগমের কোলেও দেখা যায় এক ছোট্ট শিশু।

তিনি জানান, তার হাতে খাবার জন্য একটি টাকাও নেই। এখন চেয়ে খেতে হবে। এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। ওই পরিবারের পুরুষ সদস্য আবদুল হামিদ ও মৌলভি মাইনুদ্দিন জানান, তাদের পরিবারটি অনেক বড়। ৩০ সদস্যের সবাই বাংলাদেশে কষ্ট করে আসতে পারলেও সব সহায় সম্পত্তি ফেলে আসতে হয়েছে। এখন তারা শূন্য হাতে। বিডি প্রতিদিন

এমটিনিউজ/এসএস



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


‘আযান ভালো লাগতো, তবে কোনো একদিন আমি মুসলিম হবো সেটা কখনো ভাবিনি’

‘আযান-ভালো-লাগতো-তবে-কোনো-একদিন-আমি-মুসলিম-হবো-সেটা-কখনো-ভাবিনি’

জেনে নিন ফরয গোসলের ইসলামিক সঠিক নিয়ম ও শর্তসমূহ

জেনে-নিন-ফরয-গোসলের-ইসলামিক-সঠিক-নিয়ম-ও-শর্তসমূহ

হিজাবের সৌন্দর্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন ইহুদি-ললনা

হিজাবের-সৌন্দর্যে-ইসলাম-ধর্ম-গ্রহণ-করেছেন-ইহুদি-ললনা ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


এবার দেখা যাবে বেগুনি রঙের আম!

এবার-দেখা-যাবে-বেগুনি-রঙের-আম-

আপনার শারীরিক ক্ষমতা কতটা, জানাবে আপনার ব্লাড গ্রুপ!

আপনার-শারীরিক-ক্ষমতা-কতটা-জানাবে-আপনার-ব্লাড-গ্রুপ-

অনেকেই জানেন না টয়লেটের ফ্ল্যাশে কেন দুটি বোতাম থাকে

অনেকেই-জানেন-না-টয়লেটের-ফ্ল্যাশে-কেন-দুটি-বোতাম-থাকে এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


‘মেয়েকে ঘুম থেকে ডাকতে গিয়ে দেখি মেয়ের গায়ের কাপড় খোলা’

তারপরও আর্জেন্টিনা ফাইনালে যাওয়ার যে কারণ দেখালেন ম্যারাডোনা

আজ ব্রাজিল না সুইজারল্যান্ড জিতবে, কী বলছে জ্যোতিষী উট?

টানা ৭ দিন কালোজিরা খেলে কী হয়? জানলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করে দিবেন

পাঠকই লেখক


প্রবাসীর অন্তরজ্বালা : খালি ট্যাহা ট্যাহা ট্যাহা করো?

প্রবাসীর-অন্তরজ্বালা-খালি-ট্যাহা-ট্যাহা-ট্যাহা-করো-

প্রেমে কি পরেছি?

প্রেমে-কি-পরেছি-

এ কি করছে অতি আবেগের ফুটবল পাগলরা?

এ-কি-করছে-অতি-আবেগের-ফুটবল-পাগলরা- পাঠকই সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ