০৩:২১:২১ রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮


বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮, ১২:১৯:০১

বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন

বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন

নিউজ ডেস্ক: নারকীয় সেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।

১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে নৃশংস ওই গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ঢাকার এক নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন বুধবার বেলা ১২টায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে করা আলোচিত দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের মধ্যে ১৭ আসামি কারাগারে রয়েছেন। বাকি দুজন পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া কারাগারে থাকা ১৭ আসামি হলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল(অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআই মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মো. আবদুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ও মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পলাতক দুই আসামি হলেন আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই ও জঙ্গিনেতা মাওলানা মো. তাজউদ্দীন এবং হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল (উপস্থিত), মাওলানা আবদুর রউফ ওরফের আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীরসাহেব (উপস্থিত), মাওলানা সাব্বির আহমদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির (উপস্থিত), আরিফ হাসান ওরফে সুজন ওরফে আবদুর রাজ্জাক (উপস্থিত), হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া (উপস্থিত), আবু বকর ওরফে হাফে সেলিম হাওলাদার (উপস্থিত), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (উপস্থিত), মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আবদুল হাই (পলাতক) এবং রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু (পলাতক)।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, তারা রায় পর্যালোচনা করবেন।

আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন বলেন, রায়ে আমরা অসন্তুষ্ট না। ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে।

এ রায় ঘিরে সকাল থেকেই নাজিমউদ্দিন রোড ও আশপাশের এলাকায় নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

দুই মামলার ৪৯ আসামির মধ্যে কারাগারে থাকা ৩১ আসামিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকায় পাঠানো হয় সকালেই। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি ১৮ জনকে পলাতক দেখিয়েই এ মামলার বিচারকাজ চলে।

ঢাকার পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া মঙ্গলবার বলেছিলেন- এ রায় ঘিরে রাজধানীতে কোনো নিরাপত্তা হুমকি তারা দেখছেন না। তার পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

সকাল ৮টা থেকে পলাশীর মোড়, বকশিবাজার মোড়, শিক্ষা বোর্ডের সামনে, চকবাজার, মৌলভীবাজার বাজার মোড় ও নয়াবাজার এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বাবু লাল সাহা নামে এক পুলিশ পরিদর্শক বলেন, রায় কেন্দ্র করে কোনো বিশৃঙ্খলা যাতে কেউ না করতে পারে, সে জন্য এ ব্যবস্থা।

এ ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা করা হয়। মামলাগুলো একসঙ্গে তদন্ত করে হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে পৃথক দুটি চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয়া হয়। ভয়াবহ সেই ঘটনার ১৪ বছর এক মাস ২০ দিন পর চাঞ্চল্যকর এ দুটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এ রায় কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারা দেশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, অপরাধ জগতের ইতিহাসে গ্রেনেড হামলার ঘটনা একটি জঘন্যতম অপরাধ। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ‘হালকা নাস্তার (অপরাধীর দেয়া সাংকেতিক নাম)’ নামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ২৪ জনকে হত্যা করার অপরাধ কেন্দ্র করে দুটি মামলা হয়। একটি হত্যা, অন্যটি বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলা। জজ মিয়া নাটক সাজিয়ে দুটি মামলাই তদন্তে ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলা অধিকতর তদন্তে যায়।

৫২ আসামির মধ্যে তিনজনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামি ৪৯ জন। ওই হামলার অর্থের জোগান ও প্রশাসনিক সহায়তায় ছিল চার-দলীয় জোট তথা বিএনপি-জামায়াত সরকার।

এ দুটি মামলায় একজনকেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আসামি করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। রেজাউর রহমান বলেন, সারা দেশের বিচারপ্রার্থী মানুষ এ রায়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আইনের বিধান অনুযায়ী আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করছি। ২২৫ সাক্ষীর মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহের ঊর্ধ্বে থেকে প্রমাণে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

অন্যদিকে আসামিপক্ষে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং সাবেক দুই আইজিপি- মো. আশরাফুল হুদা ও শহুদুল হকের আইনজীবী এম নজরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির মাধ্যমে আসামি করা হয়েছে।

কিন্তু মুফতি হান্নানের সেই জবানবন্দি সঠিক মর্মে প্রমাণ হয়নি। এ দুজনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ প্রমাণ হয়নি। প্রথম দফায় দাখিল করা চার্জশিটে ওই তিনজন আসামি ছিলেন না। সম্পূরক চার্জশিটে ওই তিনজনকেই আসামি করা হয়েছে। নির্দোষ দাবি করে আসামিরা বেকসুর খালাস পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার সম্পূরক চার্জশিটে (অভিযোগপত্র) বলা হয়েছে, তৎকালীন চার-দলীয় জোট সরকারের শীর্ষপর্যায়ের ইন্ধনে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশসহ (হুজি) তিনটি জঙ্গি সংগঠন ওই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় ইতিহাসের ভয়াবহতম নৃশংস ও বর্বরোচিত ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

এতে আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জনের মৃত্যু হয়। হামলায় আহত হন কয়েকশ নেতাকর্মী। আর অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি এ মামলায় সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে রাষ্ট্রপক্ষ। ৪৯২ সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষে ২২৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। আর আসামিপক্ষে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলায় ১৪৪ আলামত ও ৫৫টি বস্তু প্রদর্শন করা হয়েছে। গত বছরের ৩০ মে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হয়। আর গত বছরের ১২ জুন মামলায় ৩১ আসামির আত্মপক্ষ শুনানি শেষ হয়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও আনসার-ভিডিপির সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিনসহ ১৮ আসামি পলাতক থাকায় তারা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাননি।

পলাতক আসামিদের মধ্যে ১৪ জনের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আইনজীবী নিযুক্ত করা হয়।



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


যে দেশে কোন মসজিদ নেই, গোপনে নামাজ পড়েন মুসলমানেরা!

যে-দেশে-কোন-মসজিদ-নেই-গোপনে-নামাজ-পড়েন-মুসলমানেরা-

৩৭ বছর ধরে একটি মসজিদে ভুল কেবলায় নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা!

৩৭-বছর-ধরে-একটি-মসজিদে-ভুল-কেবলায়-নামাজ-আদায়-করছেন-মুসল্লিরা-

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন

সৃতি-শক্তি-বাড়াতে-মহানবী-সা-৯টি-কাজ-করতে-বলেছেন ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


পৃথিবীর সাংঘাতিক ও ভয়ংকর গুহা হ্যাংসন ডুং: যে গুহার কোনো শেষ প্রান্ত খুঁজে পাওয়া যায় নি!

পৃথিবীর-সাংঘাতিক-ও-ভয়ংকর-গুহা-হ্যাংসন-ডুং-যে-গুহার-কোনো-শেষ-প্রান্ত-খুঁজে-পাওয়া-যায়-নি-

শপিংমলের গোপন ক্যামেরা থেকে বাঁচতে হলে যা করতে হবে

শপিংমলের-গোপন-ক্যামেরা-থেকে-বাঁচতে-হলে-যা-করতে-হবে

আকাশ আলোকিত করতে এবার বানানো হচ্ছে কৃত্রিম চাঁদ!

আকাশ-আলোকিত-করতে-এবার-বানানো-হচ্ছে-কৃত্রিম-চাঁদ- এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


যাকে কিনতে মোস্তাফিজ-ধনঞ্জয়াকে ছাড়ছে মুম্বাই

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন

সর্বোচ্চ ২২ হাজার ভোট পেয়ে সর্বকালের সেরা নির্বাচিত মেসি

সবচেয়ে বড় পূজামণ্ডপে নাচলেন রিয়াজ-মিম

পাঠকই লেখক


জেল খাটছি পাঁচ বছর ধরে, তবুও মেয়ের কাছে আমি নিষ্পাপ পিতা

জেল-খাটছি-পাঁচ-বছর-ধরে-তবুও-মেয়ের-কাছে-আমি-নিষ্পাপ-পিতা

বিয়ে করে একজন গরীবের মেয়েকে বউ করে এনেছিলাম, তারপর...

বিয়ে-করে-একজন-গরীবের-মেয়েকে-বউ-করে-এনেছিলাম-তারপর

যদি ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে জন্মে থাকেন, তারা পড়ে আবেগাপ্লূত হয়ে যাবেন!

যদি-১৯৮৫-৯৫-সালের-মধ্যে-জন্মে-থাকেন-তারা-পড়ে-আবেগাপ্লূত-হয়ে-যাবেন- পাঠকই সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ