০৫:২২:৫৪ বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮

সর্বশেষ সংবাদ :

     • ‘নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ’     • জরুরি সংবাদ সম্মেলনে যে ঘোষণা দিলেন কর্নেল অলি     • তবে ঘটনা অন্য যায়গায়, আর এতেই মুমিনুল টপকে গেলেন বিরাট কোহলিকেও     • শুধু দুর্দান্ত সেঞ্চুরিই নয়, মুমিনুল ছাড়িয়ে গেলেন তামিম ইকবালকেও     • ‘১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে পুলিশের সঙ্গে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী’     • সেনাকুঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা হলো মির্জা ফখরুলের     • বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি     • ভারত-পাকিস্তান নয়, এশিয়া কাপের সর্বোচ্চ দর্শক হয়েছে বাংলাদেশের ম্যাচে!     • আজ যাদেরকে নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ!     • ঐক্যফ্রন্টে নুরুল আমিন ব্যাপারীর বিকল্প ধারার ৯ আসন দাবি

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৮, ০৪:২৭:৩৪

যদি ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে জন্মে থাকেন, তারা পড়ে আবেগাপ্লূত হয়ে যাবেন!

যদি ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে জন্মে থাকেন, তারা পড়ে আবেগাপ্লূত হয়ে যাবেন!

যদি ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে জন্মে থাকেন, তারা পড়ে আবেগাপ্লূত হয়ে যাবেন! আমরা যারা ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে জন্মেছি, তারা নতুন প্রজন্মের চেয়ে বিশেষ কিছু ছিলাম না। আমাদের খেলার জন্য, বিনোদনের জন্য এত শত প্রযুক্তি ছিল না। তখন দেশের দুর্বল অর্থনীতির মতোই আমাদের বাবাদের আয়ও ছিল সীমিত। তবে তারপরও আমরা কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মের চেয়ে যথেষ্ট ভাগ্যবান ছিলাম। কেন জানেন?

যখন আমরা ছোট ছিলাম, হাতগুলো জামার মধ্যে ঢুকিয়ে নিয়ে বলতাম, ‘দেখো, আমার হাত নেই’। জামার হাতাটা ঝাঁকিয়ে দোলাতাম আর এমন ভাব করতাম, যেন যাদু দেখিয়ে ফেলেছি। আসলে আমাদের ছিল সৃজনশীল মন। বাবা-মায়েরা সেটা বুঝতেন, তাই বাধা দিতেন না।

আমরা বড়শি দিয়ে পুকুরে মাছ ধরেছি, আর এখনকার ছেলেপুলেরা পুকুরই দেখে না
যখন আমরা ছোট ছিলাম, স্টেশনারির দোকানে তখন একটা কলম পাওয়া যেত। সেটাতে স্প্রিংয়ে আঁটা চারটে শিশে চার রঙের কালি। আমরা তার চারটে বোতাম একসাথে টেপার চেষ্টা করতাম, কাজ হবে না জেনেও। আসলে বারবার চেষ্টা করার মানসটাও আমাদের গড়ে উঠেছিল এভাবেই। তাই বড় হয়ে আমরা ধৈর্য ধারণ করতে শিখেছি, অধ্যবসায় করতে শিখেছি।

যখন আমরা ছোট ছিলাম, প্রায়ই আমরা দরজার পেছনে লুকিয়ে থাকতাম, কেউ এলে চমকে দেবো বলে। সে আসতে দেরি করছে বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম। দেখা যেত, যাকে চমকে দিতে চাইতাম, সেই আমাদের চমকে দিত। আমাদের বিনোদন ছিল এতটাই নির্মল, এতটাই সুস্থ্য।

আমাদের সময়ে ফিউচার পার্ক ছিল না, তবে এক্কা দোক্কা খেলেছি মন ভরে
যখন আমরা ছোট ছিলাম, ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি, চাঁদটাও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে চাঁদকে ফাঁকি দিতে থেমে যেতাম। চাঁদটাও থেমে যেত। নাছোড়বান্দা চাঁদকে ফাঁকি দিতে না পেরে কখনো কখনো কেঁদেও ফেলতাম। বাবা কিংবা মা বলত, ‘চাঁদ তোমার বন্ধু’। এভাবেই আমরা প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শিখেছি।

কেউ বলে কুতকুত, কেউ বলে কিতকিত। না খেললে পেটের ভাতই হজম হতো না
মার্বেল অথবা পাথরের গুটি খেলা ছিল আমাদের শৈশবজুড়ে
যখন আমরা ছোট ছিলাম, ইলেকট্রিক বোর্ডের দুই দিকে আঙুল চেপে সুইচটাকে অন্-অফ এর মাঝামাঝি অবস্থায় আনার চেষ্টা করতাম। তবে গায়ের জোর নয়, আঙুলের ওপর নিয়ন্ত্রণের পরীক্ষা ছিল ওটা।

পিঠের ওপর দিয়ে লাফিয়ে পেরুনো ছিল কয়েকটি খেলার অংশ
তখন স্কুলে যাওয়ার পর আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিল, বই-খাতা। ক্লাসে বসে কলম-কলম, চোর-ডাকাত-বাবু-পুলিশ খেলতাম। স্কুল ছুটির পর কটকটি, বস্তা আইসক্রিম, পাইপ আইসক্রিম, হাওয়াই মিঠা না খেতে পারলে মনটাই খারাপ হয়ে যেত। নারিকেল গাছের পাতা টেনে ঝুলে থাকতাম স্কুল ছুটি হলে দৌড়ে বাসায় আসতাম মিনা কার্টুন,
শক্তিমান দেখতে। শুক্রবারে দুপুর ৩টা থেকে অপেক্ষা করতাম কখন বিটিভিতে বাংলা সিনেমা শুরু হবে। সন্ধ্যার পরে আলিফ লায়লা দেখার জন্য পুরো সপ্তাহ অপেক্ষা করতাম।যখন আমরা ছোট ছিলাম, ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম, পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে কি-না। কিছু একটা মনে করে ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম, তারপর কী দরকার ভুলে যেতাম, ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত।

আমাদের রান্না-বাটি খেলায় শামিল হতেন বড় আপুরাও
স্কুলের টিফিন ছুটিতে কটকটি খায়নি এমন কেউ আমাদের মধ্যে আছে?
যখন আমরা ছোট ছিলাম, তখন ধৈর্য্য হতো না, কবে বড় হবো? আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম! সেসময় কুতকুত না খেললে বিকালটাই মাটি হয়ে যেত। কানামাছি, আরো অনেক কিছু খেলতাম।
ব্যাডমিন্টন, ক্যারাম, সাপ-লুডু না খেললে কী হয়! ডিসেম্বর মাস আর শীতকালটা আমাদের ছেলেবেলায় এমনি কালারফুল ছিল। তবে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ যত এগিয়ে আসত মনের মধ্যে ভয় তত বাড়ত। কলেজে ওঠার আগ পর্যন্ত মন খারাপ, ফ্রাসট্রেশন কী জিনিস বুঝতামই না। মন খারাপ মানে ছিল ম্যাচের সময় প্রাইভেট থাকা।

খুব মিস করি দিনগুলো, ফাইনাল পরীক্ষা যেহেতু শেষ সেহেতু সকালে পড়া নাই। এত মজা কই রাখি? নানু বাড়ি, দাদু বাড়ি যাওয়ার এই তো সময়।

কলাপাতা আর নারকেলের ডগা দিয়ে বানাতাম বুড়ির ঘর। মনে পড়ে?
ছেলেবেলার সে দিনগুলোতে আমরা হয়ত খ্যাত ছিলাম, আমাদের এত এত উচ্চমার্গীয় জ্ঞান ছিল না হয়ত। লেমও ছিলাম। কিন্তু আমাদের সারাজীবন মনে রাখার মতো একটা ছেলেবেলা ছিল। আমি জানি, আমাদের জেনারেশনের যারা এগুলো পড়ছো, তোমাদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে, ছোটবেলায় সবথেকে বেশিবার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটার উত্তর আমি পেয়েছি অবশেষে…

-তুমি বড়ো হয়ে কী হতে চাও?
উত্তর : আবার ছোট হতে চাই ।

যেই বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখে শৈশবটাই কাটিয়ে দিলাম। আজ একটাই দুঃখ, কেন শৈশব হারালাম?



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে মাত্র দু'টি ফল খান: মুফতি কাজী ইব্রাহীম

আপনার-যৌবনকে-ধরে-রাখতে-মাত্র-দু-টি-ফল-খান-মুফতি-কাজী-ইব্রাহীম

মসজিদটি মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কুরআনে বর্ণিত জান্নাতের আদলে নির্মিত

মসজিদটি-মুসলমানদের-পবিত্র-ধর্মগ্রন্থ-আল-কুরআনে-বর্ণিত-জান্নাতের-আদলে-নির্মিত

যে ব্যক্তি পরপর তিনবার জুমআ’র নামাজ ত্যাগ করল, তার পরিণতি…

যে-ব্যক্তি-পরপর-তিনবার-জুমআ’র-নামাজ-ত্যাগ-করল-তার-পরিণতি… ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


রহস্যময় কুয়োর তলায় বিস্ময়, উঠে এল প্রাচীন সৈন্যের দল!

রহস্যময়-কুয়োর-তলায়-বিস্ময়-উঠে-এল-প্রাচীন-সৈন্যের-দল-

এই গাছটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মহৌষধ! নিজে জানুন, অপরকে জানিয়ে দিন

এই-গাছটি-ডায়াবেটিস-নিয়ন্ত্রণের-মহৌষধ--নিজে-জানুন-অপরকে-জানিয়ে-দিন

মেয়েটি স্কুল থেকে ভ্রমণের জন্য একটা বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে খুঁজে পায় তার হারানো দাদীকে!

মেয়েটি-স্কুল-থেকে-ভ্রমণের-জন্য-একটা-বৃদ্ধাশ্রমে-গিয়ে-খুঁজে-পায়-তার-হারানো-দাদীকে- এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে মাত্র দু'টি ফল খান: মুফতি কাজী ইব্রাহীম

কেমন হলো বাংলাদেশ দলের স্কোয়াড?

বিশাল সুখবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করলেন পাপন

শেষমেশ যে আসন থেকে মাশরাফির মনোনয়ন ঘোষণা আ.লীগের

পাঠকই লেখক


নারী দৌড় দিলো পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌড় দিলো, দৌড়াতে দৌড়াতে...

নারী-দৌড়-দিলো-পিছে-পিছে-কৃষক-পুরোহিত-ও-বাদশাহ-দৌড়-দিলো-দৌড়াতে-দৌড়াতে

দুলাভাই ভয়ংকর

দুলাভাই-ভয়ংকর

বাসর রাত ও মায়াবতী

বাসর-রাত-ও-মায়াবতী পাঠকই সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ