‘দুখু সেন’ যেভাবে হয়ে ওঠেন সুরঞ্জিত সেন, দিরাই-শাল্লার মানুষ জানালেন অজানা অধ্যায়

০৪:৫৫:১০ বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সর্বশেষ সংবাদ :

     • যে কারণে শিশুদের উপর প্রভাব ফেলছে না করোনাভাইরাস     • করোনাভাইরাসে হাসপাতাল প্রধানের মৃত্যুর পর আরেক হাসপাতাল প্রধান আক্রা'ন্ত     • নামাজ পড়লে কঠিন রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়     • অফিসে কর্মচারিদের সাথে 'মুকাবেলা' গানে মহিলা বসের তুমুল নাচ, ভাই'রাল ভিডিও     • বেতনের টাকা জমিয়ে কেনা অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামবাসীকে বিনে পয়সায় সেবা দেন শিক্ষিকা শেফালী     • ফেলে যাওয়া বৃদ্ধার দায়িত্ব নিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা     • মার্কিন বিমান বাহিনীতে দাড়ি রাখা, হিজাব ও পাগড়ি পরার অনুমতি     • এটা পাকিস্তান, ভারত নয় : ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি     • চেক রিপাবলিকের জাতীয় দলে ডাক পেলেন মেহেরপুরের সোহাস     • সীমান্তে গরু চো'রাচা'লানিদের দুটি চম'কপ্রদ কৌ'শল

সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭, ১০:৫২:১১

‘দুখু সেন’ যেভাবে হয়ে ওঠেন সুরঞ্জিত সেন, দিরাই-শাল্লার মানুষ জানালেন অজানা অধ্যায়

‘দুখু সেন’ যেভাবে হয়ে ওঠেন সুরঞ্জিত সেন, দিরাই-শাল্লার মানুষ জানালেন অজানা অধ্যায়

সুনামগঞ্জ : সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে তার নির্বাচনী এলাকা দিরাই-শাল্লায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এখানকার পাঁচ লাখ বাসিন্দা শোকে হতবিহ্বল হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে গভীর হতাশা।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে দিরাই-শাল্লার মানুষ ডাকতো সেনবাবু বলে। স্থানীয় সকল শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে তার পরিচিতি ছিল ‘দুখু সেন’ হিসেবে।

তার মৃত্যুতে দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গত রবিবার থেকে চলছে তিন দিনের শোক কর্মসূচি। উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনাসহ নানা শোক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। লাখো মানুষের অংশগ্রহণে সোমবার  শেষকৃত্য অনুষ্ঠান হবে বলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা জানান।

১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে তার সমর্থনে দিরাই বাজারে সবশেষ নির্বাচনী জনসভায় আসেন তৎকালীন বিরোধী দল ন্যাপের নেত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। সেই সময়ের নির্বাচনি প্রচারপত্রে প্রার্থী হিসেবে তার নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয় দুখু সেন।

দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছাবউদ্দিন সর্দার বলেন, ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মানুষকে আপন ভেবে কাছে টেনে নিতেন। তাদেরকে ছায়া দিয়ে গেছেন একটি বটবৃক্ষ হিসেবে। গরিব-দুঃখী মেহনতি মানুষের ভাষা বুঝতেন সহজেই। তাকে দুখু সেন থেকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তে রূপান্তরিত করেছে দিরাই-শাল্লার মানুষ। নিজের নির্বাচনি এলাকার কোনও পরিবারের মানুষ কী দিয়ে ভাত খেয়েছে সেই খবরও রাখতেন তিনি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. সিরাজউদ্দৌলা তালুকদার বরেন, ‘দিরাই-শাল্লাবাসী একজন অভিভাবক হারিয়েছে। উন্নয়নকামী রাজনীতিবিদ হিসেবে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা ছিল। হাওর অধ্যুষিত দিরাই-শাল্লা উপজেলায় বিদ্যুতায়ন, পাকা সড়ক যোগাযোগ স্থাপন, স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ছাড়াও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন হয়েছে তার হাত ধরেই।’

উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা অভিরাম তালুকদার বলেন, ‘দিরাই-শাল্লাবাসী মনে করতো সেন বাবু তাদের ঘরের মানুষ।’

আবুল খায়ের জানান, ‘এলাকার বিরোধ দেখা দিলে সামাজিক সালিশের ভিত্তিতে তা ন্যায্যভাবে মীমাংসা করে দিতেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে গরিব মানুষজন মামলা মোকদ্দমায় জড়ালে সর্বশান্ত হয়ে পড়বে জানিয়ে বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে তা নিষ্পত্তি করে দিতেন তিনি।’

স্থানীয় রাজনীতিবিদদের অনেকের মতে, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিবিদ, সংস্কৃতিমনা মানুষ। শৈশবে মঞ্চনাটক করতেন এলাকায়। শিক্ষকতা করেছেন বেশ কিছুদিন।

সমবয়সী মনোরঞ্জন রায় বলেন, ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত শৈশবে সবার সঙ্গে মিলে খেলাধুলা করতেন। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সবসময় তাকে পাওয়া যেতো।’

উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ জানান, ‘এমসি কলেজে হিন্দু হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করতেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তখন কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত গান, কবিতা, নাটকসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যমণি ছিলেন তিনি। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে সাজানো নাটক বিশেষ করে সিরাজউদ্দৌলা ও মোহনলাল চরিত্রে অভিনয় করে সুনাম কুড়ান তিনি।’

সুনামগঞ্জ কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ও আওয়ামী লীগ নেতা বেলায়েত হোসেন জানান, ‘কলেজে পড়ার সময় সংস্কৃতি ও রাজনীতির প্রতি অসম্ভব আগ্রহ ছিল সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের। মহকুমা সদরে যত নাটক ও সাংস্কৃতিক আড্ডা হতো সবকটিরই প্রাণ ছিলেন তিনি। বিভিন্ন যাত্রা ও নাটকের সংলাপ তিনি এত বিশুদ্ধভাবে উচ্চারণ করতেন যে, তা শোনার জন্য শ্রোতা-দর্শকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অধীর আগ্রহে দাঁড়িয়ে থাকতেন।’ -বাংলা ট্রিবিউন।
০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭/এমটিনিউজ২৪/সৈকত/এমএম



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


দৈনন্দিন জীবনে ‘ইনশা আল্লাহ’ বলার গুরুত্ব ও তাৎপর্য এবং না বলার পরিণাম

দৈনন্দিন-জীবনে-‘ইনশা-আল্লাহ’-বলার-গুরুত্ব-ও-তাৎপর্য-এবং-না-বলার-পরিণাম

জীবনের শেষ সময়ে এসে পবিত্র ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করলেন ৯২ বছরের বৃদ্ধা

জীবনের-শেষ-সময়ে-এসে-পবিত্র-ধর্ম-ইসলাম-গ্রহণ-করলেন-৯২-বছরের-বৃদ্ধা

মানুষের চোখে ফেরেশতাদের দেখা কি সম্ভব?

মানুষের-চোখে-ফেরেশতাদের-দেখা-কি-সম্ভব- ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


এ যেন সত্যিকারের জীবনযো'দ্ধা!

এ-যেন-সত্যিকারের-জীবনযো-দ্ধা-

চাটগাঁইয়া ও সিলেটি বিশ্বের সর্বাধিক কথ্য ভাষার তালিকায়!

চাটগাঁইয়া-ও-সিলেটি-বিশ্বের-সর্বাধিক-কথ্য-ভাষার-তালিকায়-

এক পাউন্ড মধু উৎপাদনে ২০ লাখ ফুলে যায় মৌমাছিরা

এক-পাউন্ড-মধু-উৎপাদনে-২০-লাখ-ফুলে-যায়-মৌমাছিরা এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


বিরাট কোহলির সঙ্গে বিচ্ছেদের সময়টা কষ্টের: আনুশকা শর্মা

'একটু বলিস' শেষ জীবনে ফোন করে কাজ চাইতেন তাপস পাল

ভবিষ্যতে আর কখনো কোনো যৌ'নকর্মীর জানাজা পড়াবো না : দৌলতদিয়ার ইমাম

করোনাভাইরাসের রেশ না কাটতেই এবার চীনের আকাশে একসঙ্গে পাঁচ সূর্য!

বিচিত্র জগৎ


যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে অবশ্যই ম্যাট্রিকে ফেল করতে হবে!

যে-বিশ্ববিদ্যালয়ে-ভর্তি-হতে-হলে-অবশ্যই-ম্যাট্রিকে-ফেল-করতে-হবে-

আবারো বিয়ের পিঁড়িতে ৬ ভাইবোন, বাসর সাজালেন নাতি-নাতনিরা

আবারো-বিয়ের-পিঁড়িতে-৬-ভাইবোন-বাসর-সাজালেন-নাতি-নাতনিরা

চারবার আবেদন করেও ব্যাংক ঋণ না পেয়ে কিনলেন লটারি, ১৪ কোটি টাকা জিতলেন দিনমজুর

চারবার-আবেদন-করেও-ব্যাংক-ঋণ-না-পেয়ে-কিনলেন-লটারি-১৪-কোটি-টাকা-জিতলেন-দিনমজুর বিচিত্র জগতের সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ