আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারত-পাক অশান্তি মধ্যে সামনে এক নয়া তথ্য। গবেষণা সংস্থা ক্রেডিট স্যুশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় বিমানবাহিনী বর্তমানে বিশ্বের সেরা পাঁচে। এছাড়া অন্য একটি সমীক্ষায় দক্ষতার ভিত্তিতে ভারতকে চীনের বিমানবাহিনীর চেয়েও এগিয়ে রাখা হয়েছে।
কোনও সমীক্ষাতেই প্রথম দশের ধারে কাছে পৌঁছয়নি পাকিস্তান। ৯০০টি যুদ্ধবিমান থাকলেও, সেগুলির মান, পাক বিমানবাহিনীর পেশাদারিত্বের ধরন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্যের অভাবেই পিছিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। এমনটাই বলছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের হাতে রয়েছে পৃথিবীর সেরা যুদ্ধবিমানগুলির অন্যতম সুখোই-৩০। সুখোইয়ের সব যুদ্ধবিমানই রাশিয়ায় তৈরি। এই ফাইটার জেটে রয়েছে ক্যানার্ড নামে অতিরিক্ত দুটি ডানা। এই ক্যানার্ড যুদ্ধবিমানের গতি ও ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখে। থ্রাস্ট-ভেক্টর কন্ট্রোল নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে এতে। থ্রাস্ট-ভেক্টরিং-এর সুবাদে কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে দ্রুত এগিয়ে যায় সুখোই-৩০।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৯০-তে তৈরি এই বিমান অনেক আধুনিকীকরণের পর কাজ শুরু করেছে ১৯৯৬ সালে। এফ-১৬ বা সুখোই-২৪-এর চেয়ে সুখোই-৩০ অনেক আধুনিক মডেল। ভারত রাশিয়া থেকে সুখোই-৩০ কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করার পর একগুচ্ছ নতুন এবং বিধ্বংসী বৈশিষ্ট্য যোগ করে সুখোই-৩০-এর সবচেয়ে আধুনিক সংস্করণটিই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা ডাবল ইঞ্জিন মাল্টি-রোল ফাইটার জেট সুখোই-৩০ এমকেআই ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বিশ্বের সেরা যুদ্ধবিমানগুলির অন্যতম এই ফাইটার। পাকিস্তান তো বটেই, চীনও ভারতের সুখোই স্কোয়াড্রন নিয়ে চিন্তিত।
প্রতিপক্ষের আরও ভয়ের কারণ, সুখোই এখন আরও অপ্রতিরোধ্য। গত জুনেই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মোস নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে আকাশে উড়েছে সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান।
তাতে বিরাট সাফল্য এখন ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতের মুঠোয়। ভারত-রুশ যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের বেগের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি জোরে ছোটে। লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানে। পৃথিবীতে এত দ্রুতগামী ক্রুজ মিসাইল আর একটিও নেই।-কলকাতা২৪
২৭সেপ্টেম্বর,২০১৬/এমটিনিউজ২৪/সবুজ/এসএ