মধ্যপ্রাচ্যের অন্যপ্রান্তের যু'দ্ধের আশ'ঙ্কা! ফের মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্য উত্তে'জনা

০৬:২৮:০৮ শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০

সর্বশেষ সংবাদ :

     • এ বছর শুধু মন্দির প্রাঙ্গণেই সীমাবদ্ধ থাকবে এবারের দুর্গোৎসব     • করোনার টিকা নিয়ে 'স্বার্থপরতা' নয়, ধনী দেশগুলিকে সতর্ক করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা     • মাশরাফির বাড়ি লকডাউন     • সাড়ে ৮ ঘণ্টা জেরায় কিছুই মনে করতে পারেনি রিয়া     • সবার আগে ফ্রান্স কেন লেবাননের পাশে? জানা গেল আসল কারণ!     • সারাদেশে মোবাইল টাওয়ার থেকে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা আসছে     • সামনে করোনার চেয়েও আরো ভ'য়াবহ এক সং'কটের কথা বললেন বিল গেটস     • চীনের ন'জর এবার তাজাকিস্তানের দিকে, বিশাল ভূমি নিজেদের দাবি     • গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দেশে আক্রা'ন্ত ২৬১১, মৃ'ত্যু ৩২     • চামড়ার কারখানায় কাজ করা, মহল্লার গলিতে খেলা সেই ছেলে এখন পাকিস্তানের সবচেয়ে দ্রুতগতির বোলার

সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০, ০৯:০৭:০৬

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যপ্রান্তের যু'দ্ধের আশ'ঙ্কা! ফের মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্য উত্তে'জনা

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যপ্রান্তের যু'দ্ধের আশ'ঙ্কা! ফের মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্য উত্তে'জনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নীল নদের ওপর বিশাল জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাঁধ তৈরি নিয়ে মিশর এবং ইথিওপিয়ার মধ্যে যে বিরো'ধ চলছে, সেটির সমাধানে এ বছর ওয়াশিংটনের আবার আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত বছর দীর্ঘ আলোচনার পর নীল নদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরো'ধ নি'ষ্প'ত্তি করার জন্য এ বছরের ১৫ই জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। 

কিন্তু এখন সেটারও অ'চ'লাবস্থা দেখা দিয়েছে। ইথিওপিয়া পরিকল্পিত এই বাঁধটি নির্মিত হলে সেটা হবে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে নীল নদের উৎস নদী ব্লু নীলে ২০১১ সালে বাঁধের নির্মাণ কাজ শুরু করে ইথিওপিয়া, যেখান থেকে নীল নদের ৮৫ শতাংশ পানি প্রবাহিত হয়।

তবে বিশাল এই বাঁধ নিয়ে মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে বিরো'ধ শুরু হয়েছে, যার মধ্যে পড়েছে সুদান। অনেকের আ'শ'ঙ্কা, এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যু'দ্ধও শুরু হয়ে যেতে পারে। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্য'স্থতা করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই বি'ত'র্কের মুল কেন্দ্রে রয়েছে বিশাল একটি বাঁধ যা নিয়ে মিশরের আ'শ'ঙ্কা যে, এর ফলে ইথিওপিয়া, নদীটির পানির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে।

জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন নদীর পানি সরিয়ে ফেলে না তবে এর ফলে নদীটির স্রোত প্রবাহের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জলাধার, যা অনেকটা লন্ডনের সমান এবং ৭৪ বিলিয়ন কিউবিক মিটার ধারণ ক্ষ'ম'তাসম্পন্ন, সেটা ভরতে সময় যত বেশি লাগবে, নদীটির প্রবাহের ওপর ততই কম প্র'ভা'ব পড়বে। 

ছয় বছর ধরে সেটি করতে চায় ইথিওপিয়া। কিন্তু মিশর চায়, এর চেয়েও বেশি সময় ধরে যেন সেটি করা হয়, ফলে নদীর পানি প্রবাহের ওপর হঠাৎ করে কোন প্র'ভা'ব পড়বে না, বিশেষ করে জলাধার ভরার সময়ে। মিশর, সুদান এবং ইথিওপিয়া মিলে চার বছর ধরে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কেনা অগ্রগতি হয়নি। ফলে এখন মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইথিওপিয়ার পানিসম্পদ ও জ্বালানিমন্ত্রী বেকেলে সেলেশি অভিযোগ করেছেন, কোন চুক্তিতে পৌঁছানোর ইচ্ছা নেই মিশরের। তবে মিশরের পানি সম্পদ মন্ত্রী মোহামেদ আবদেডল আতেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, আলোচনায় সবগুলো পক্ষ সব বিষয়ে স্বচ্ছতা অর্জন করেছে, যার মধ্যে বাঁধের পানি ভরাটের মতো বিষয়ও রয়েছে।

পানির জন্য নীল নদের ওপর ৯০ ভাগ নির্ভর করে মিশর। ঐতিহাসিকভাবেই মনে করা হয় যে, নীল নদের স্থিতিশীল পানি প্রবাহ থাকাটা মিশরের টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে নীল নদের পানিকে পবিত্র বলে মনে করা হয়। ১৯২৯ সালের একটি চুক্তি (পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালের আরেকটি চুক্তিতে) মিশর এবং সুদানকে নীল নদের পানির প্রায় সমস্ত অধিকার দেয়া হয়। 

ঔপনিবেশিক আমলের সেসব নথিপত্রে নদীটির উজানে যে প্রকল্প পানি প্রবাহে প্র'ভা'ব ফেলতে পারে, সেখানে ভেটো দেয়ার ক্ষ'মতা দেয়া হয়। কিন্তু কোন নথিপত্রেই চুক্তির বাইরে থাকা দেশগুলোকে অংশ করা হয়নি, যার মধ্যে রয়েছে ইথিওপিয়াও, যাদের ব্লু নীলের পানি নীল নদে অনেক বেশি অবদান রাখে।

ইথিওপিয়া বলছে, শতবর্ষ পুরনো ওসব চুক্তি মানতে তারা বাধ্য নয় এবং ২০১১ সালে আরব জাগরণের পরপরই তারা বাঁধের কাজকর্ম শুরু করে। কিন্তু মিশরের আসল চিন্তা হলো, নীল নদে যদি পানি প্রবাহ কমে যায়, তাহলে সেটি লেক নাসেরকে প্রভা'বিত করবে। যার ফলে মিশরের আসওয়ান বাঁধে পানির প্রবাহ কমে যাবে, যেখান থেকে মিশরের বেশিরভাগ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

মিশরের আরো আ'শ'ঙ্কা, ইথিওপিয়ার বাঁধের কারণে নীল নদের পানি প্রবাহ কমে যাবে, যা দেশটির নাগরিকদের পানির প্রধান উৎস। নীল নদের পানির প্রবা'হ যদি অনেক কমে যায়, তাহলে সেটি দেশটির নদীপথে পরিবহন ব্যবস্থাকেও হু'ম'কির মুখে ফেলবে এবং কৃষকদের কৃষি ও পশুপালনের ওপর প্রভা'ব ফেলতে পারে।

প্রায় চারশো কোটি ডলার খরচ করে বাঁধটি তৈরি করতে চাইছে ইথিওপিয়া। এটি নির্মাণ শেষ হলে প্রায় ছয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইথিওপিয়ায় বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। দেশটির ৬৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখনো বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে বাস করে। এই বাঁধ থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে, তা দেশটির নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত হয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকেও রপ্তানি করা যাবে। 

নিজেদের সক্ষমতার একটি প্রতীক হিসাবেও এই বাঁধকে দেখতে চায় ইথিওপিয়া। এই বাঁধ তৈরিতে বাইরের অর্থায়ন নিচ্ছে না দেশটি। সরকারি বন্ড এবং প্রাইভেট ফান্ড থেকে বাঁধটি তৈরি করা হচ্ছে। ফলে এই বাঁধের ব্যাপারে অন্য দেশের কথা বলাকে অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে বৈদেশিক হস্তক্ষেপ বলে মনে করছে ইথিওপিয়া।

প্রতিবেশী সুদান, দক্ষিণ সুদান, কেনিয়া, জিবুতি এবং ইরিত্রিয়া এই বাঁধ থেকে উপকৃত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর অনেক দেশে বিদ্যুৎ ঘা'টতি রয়েছে। সুদানের জন্য একটি সুবিধা হলো যে, এই বাঁধের কারণে সেখানকার নদীর পানি প্রবাহ সারা বছর ধরে একই রকম থাকবে। কারণ সাধারণত অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে পানি প্রবাহ বেড়ে গিয়ে অনেক সময় বন্যা দেখা দেয়।

আ'শ'ঙ্কা করা হচ্ছে যে, এই বিত'র্কের সমাধান না হলে দেশগুলো যু'দ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। ২০১৩ সালে গো'পন ভি'ডিওতে দেখা যায় যে, বাঁধ তৈরি কেন্দ্র করে ইথিওপিয়ার বি'রু'দ্ধে একগাদা বৈ'রি পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তাব করছে মিশরের রাজনৈতিকরা। মিশরের প্রেসিডেন্ট সিসি বলেছেন, নীল নদের পানি নিয়ে তাদের অধিকার র'ক্ষায় মিশর সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 

আর গত বছরের অক্টোবরে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদ বলেছেন, কোন শক্তিই ইথিওপিয়াকে বাঁধ নির্মাণ থেকে দ'মাতে পারবে না। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ গত বছর সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বাঁধ নিয়ে দেশগুলো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এতে জড়িয়ে পড়া থেকে বোঝা যায় যে, পরিস্থিতি কতখানি গু'রু'তর এবং অচ'লাব'স্থা ভা'ঙ্গা কতটা জ'রু'রি।

এই অ'চ'ল অবস্থা কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ চেয়েছে মিশর, যা প্রথমে মানতে চায়নি ইথিওপিয়া। তবে পরে রাজি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দুইটি দেশের মধ্যে সং'ঘ'র্ষ হলে সেটি লাখ লাখ মানুষের জীবনকে ঝুঁ'কিতে ফেলতে পারে। এর ফলে সুয়েজ খাল, হর্ন অফ আফ্রিকার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথও ঝুঁ'কিতে পড়তে পারে।

আসছে ১৫ই জানুয়ারি একটি ডে'টলাইন ঠিক করা হয়েছে, যে সময়ের মধ্যে উভয় দেশের পানি সম্পদ মন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় গত নভেম্বর মাসে একটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। তারা যদি ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে কোন চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম না হন, তাহলে আলোচকরা নতুন এক মধ্যস্থতাকারী নির্ধারণ অথবা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সিদ্ধান্তের জন্য পাঠাবেন।



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


যে দুই কাজের কারণে বান্দার কোনো দোয়াই আল্লাহ তাআলা কবুল করেন না

যে-দুই-কাজের-কারণে-বান্দার-কোনো-দোয়াই-আল্লাহ-তাআলা-কবুল-করেন-না

অভাবীকে সাহায্য করলেই আল্লাহর সাহায্য মিলবে

অভাবীকে-সাহায্য-করলেই-আল্লাহর-সাহায্য-মিলবে

সূরা ফাতেহা সব রোগের মহাওষুধ

সূরা-ফাতেহা-সব-রোগের-মহাওষুধ ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


৩৩ বার ম্যাট্রিকে ফেল করেও হাল ছাড়েননি নুরউদ্দিন, অবশেষে লকডাউনে ভাগ্য খুললো

৩৩-বার-ম্যাট্রিকে-ফেল-করেও-হাল-ছাড়েননি-নুরউদ্দিন-অবশেষে-লকডাউনে-ভাগ্য-খুললো

করোনার মূল উপসর্গ নিয়ে গোড়াতেই বড় ভুল হয়ে গেছে: দাবি বিশেষজ্ঞদের

করোনার-মূল-উপসর্গ-নিয়ে-গোড়াতেই-বড়-ভুল-হয়ে-গেছে-দাবি-বিশেষজ্ঞদের

একটি পাখির বাসা বাঁ'চাতেই টানা ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রাম

একটি-পাখির-বাসা-বাঁ-চাতেই-টানা-৩৫-দিন-অন্ধকারে-গ্রাম এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


যুবরাজের পিঠ ও আফ্রিদির পাঁজর ভেঙে দিয়েছি আমি : শোয়েব আখতার

পাকিস্তান সফরে যেতে প্রস্তুত ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল

করোনাভাইরাস সম্পর্কে নতুন ত'থ্য সামনে আ'নলেন একদল ব্রিটিশ গবেষক

মাত্র পাওয়া- ক্রিকেট ম্যাচে এলোপাতাড়ি গু'লি

বিচিত্র জগৎ


গত ২০ বছর ধরে হেলমেট পরে আছেন এই নারী!

গত-২০-বছর-ধরে-হেলমেট-পরে-আছেন-এই-নারী-

এই নারীর কাহিনি চমকে দেওয়ার মতো, রাস্তায় ছোলা বিক্রি করে কোটিপতি!

এই-নারীর-কাহিনি-চমকে-দেওয়ার-মতো-রাস্তায়-ছোলা-বিক্রি-করে-কোটিপতি-

পৃথিবীর যে রহস্যের কোনও সমাধানই করা গেল না আজ পর্যন্ত, যার ব্যাখ্যা বিজ্ঞানও দিতে পারেনি!

পৃথিবীর-যে-রহস্যের-কোনও-সমাধানই-করা-গেল-না-আজ-পর্যন্ত-যার-ব্যাখ্যা-বিজ্ঞানও-দিতে-পারেনি- বিচিত্র জগতের সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ