আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানকে কোণঠাসা না করতে পারার আফসোস নিয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তেহরানের দাবি, অর্ধ শতাব্দীর আগের তুলনায় ইরান অনেক বেশি শক্তিশালী, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ততটাই দুর্বল।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, স্থল এবং আকাশের পাশাপাশি সাগরেও ইরানকে মোকাবিলা করতে পুরোপুরি সক্ষম তারা। শীর্ষ বিজ্ঞানী খুন হওয়ার পর পরমাণু ইস্যুতে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা- আই.এ.ই.এ'র পর্যবেক্ষেকদের ইরানে প্রবেশের অনুমতি সীমিত করে আইন পাসের পর, এবার সংস্থাটির বিরুদ্ধে গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগ তুলেছে তেহরান।
গোপন পরমাণু তথ্য অন্য দেশের কাছে তুলে দেওয়া অব্যাহত রাখলে, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে ইরান। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতার শেষ প্রান্তে এসেও ইরানের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রসিডেন্ট হাসান রুহানি। তেহরানের তেল বাণিজ্য কমাতে ওয়াশিংটন নানা কৌশল নিলেও তা ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রোববার এক বৈঠকে রুহানি বলেন, ইরানকে দমিয়ে রাখার ট্রাম্পের যে ইচ্ছা ছিল, তা অপূর্ণই থেকে যাবে। ইরানকে কোণঠাসা করতে আমেরিকা অনেক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আমাদের তেল রফতানি ঠেকাতে তাদের ষড়যন্ত্রের কোনো শেষ ছিল না। কিন্তু বারবারই তারা ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে ইরান কেবলই শক্তিশালী হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, স্থল এবং আকাশ পথের পাশাপাশি এবার সমুদ্র পথেও ইরানকে পুরোপুরি প্রতিহত করতে সক্ষম ওয়াশিংটন। মার্কিন নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল স্যাম পাপারো জানান, 'সাগরপথে ইরান অনেক অবৈধ কর্মকাণ্ড করে আসছে। তেলবাহী জাহাজে আগুন দেওয়াসহ অনেক সন্ত্রাসী কাজেই তাদের মদদ রয়েছে। কিন্তু ইরানের মতো দেশগুলোকে কড়া জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত।'