আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ৯ জনকে হত্যার দায়ে জাপানের 'টুইটার কিলার' নামে পরিচিতি পাওয়া ৩০ বছর বয়সী তাকাহিরো শিরাইশিকের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন দেশটির আদালত। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে 'টুইটার কিলার' তার শেষ ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তা হলো, তিনি এক সাধারণ মেয়েকে বিয়ে করতে চান।
তার এই বিয়ে করতে চাওয়ার কারণ হলো- তিনি চাইছেন, মৃত্যুর আগে তাকে কেউ দেখতে আসুক। জাপানের সংবাদমাধ্যম দ্য মাইনিচিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাকাহিরো বলেন, 'আমাকে দেখতে কেউ আসেনি। আমি একজন সাধারণ নারীর সাক্ষাৎ চাই। আমি বিয়ে করতে চাই।'
এদিকে, তার শাস্তি কমানোর ব্যাপারে সুপারিশ করেছেন অভিযুক্তের আইনজীবীরা। তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, ২০১৭ সালের মার্চ মাসে অভিযুক্ত টাকাহিরো শিরাই একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট খোলেন। বিভিন্ন কারণে আত্মহত্যার কথা ভাবছেন এমন নারীদেরকে টার্গেট করতেন শিরাই। তার ফাঁদের শিকার হন ১৫ থেকে ২৬ বছর বয়সীরা তরুণীরা।
তাদের হত্যার পর অঙ্গ-প্রতঙ্গ যামা শহরে তার নিজের বাসায় সংরক্ষণ করতেন শিরাই। এই সিরিয়াল কিলারের এমন কাণ্ডে তখন অবাক হয় জাপানবাসী। এমন হত্যাকাণ্ডের পর টুইটারে বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বলা হয়, টুইটারে আত্মহত্যাকে উৎসাহিত এমন কোন প্রচারণা চালানো যাবে না। টুইটারের প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডর্সি এটিকে চরম দুঃখজনক ঘটনা বলে উল্লেখ করেন।