আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দুই দফার প্রার্থী তালিকা বিজেপি যে দিন ঘোষণা করেছিল, সেদিনই সংবাদমাধ্যমের নজর পড়েছিল তার উপর। বাঁকুড়ার শালতোড়া বিধানসভায় বিজেপির প্রার্থী চন্দনা বাউড়ি। শালতোড়া আসন তফসিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত। চন্দনা বাউড়িও তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা। সেই সঙ্গে আর্থিক ভাবে অনগ্রসর। বুধবার বিজেপি অভিযোগ করল, চন্দনার আর্থ-সামাজিক অনগ্রসরতার জন্য দায়ী রাজ্যের তৃণমূল সরকার।
চন্দনার পরিবার প্রধানমন্ত্রী মোদির আবাস যোজনার আওতায় আবেদন করেছিল। কিন্তু যেহেতু তিনি বিজেপি কর্মী তাই স্থানীয় পঞ্চায়েত ও প্রশাসন তাকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় গৃহ নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেনি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম এই রাজ্যে বদলে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি অনুদানে প্রকল্প চললেও তার নাম রাখা হয়েছে বাংলা আবাস যোজনা। বিজেপির এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করা হয়েছে। তা এখনও পাওয়া যায়নি। তা পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, বাঁকুড়ার প্রতিটি আসনে বিজেপি স্থানীয় নেতা কর্মীকেই প্রার্থী করেছেন। গত দশ বছর বাংলায় ক্ষমতায় থাকার পর বাঁকুড়া জেলার বিধায়করা পরের কথা বহু পঞ্চায়েত প্রধান ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যও স্করপিও বা এসইউভি নিয়ে ঘোরেন। তাদের সামনে চন্দনা ব্যতিক্রম বইকি। সন্দেহ নেই, এই ফারাকটাই বিজেপি দেখাতে চাইছে। তার পরিবারের আর্থিক অনগ্রসরতা, সামাজিক ও সরকারের বঞ্চনাকে কৌশলে রাজনৈতিক পুঁজি করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।