আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এবছর পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জী আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, 'খেলা হবে'। জানিয়েছিলেন পজিশনও, 'আমি গোলকিপার। দেখব কয়টা গোল দিতে পারে।' তবে গত সপ্তাহে প্রচারণায় নেমে পায়ে আঘাত পেয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অবশ্য তাতে দমে যাননি। এক পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে হুইল চেয়ারে বসেই ফের শুরু করেছেন বিরোধী শিবিরে আক্রমণ।
মঙ্গলবার জনসভা করেছেন বাঁকুড়ার শালতোড়ায়। সেখান থেকেই মমতার হুঙ্কার, 'খেলা হবে। আমি এক পায়ে খেলব।' তিনি বলেন, 'ছাত্র-যুবদের দুটো পা, তাদের সাপোর্টে খেলব। কৃষক- শ্রমিকদের দুটো পা, তাদের সাপোর্টে খেলব।' এদিন ভোটের খেলায় তৃণমূলের ফরওয়ার্ডলাইনও ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা বলেন, 'এই নির্বাচনী যুদ্ধে সামনে থাকবেন আমার মা-বোনেরা। সামনে থাকবেন তফসিলিরা। এই লড়াইয়ে বাংলা জিতবে, দিল্লি হারবে।' গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে মমতা আহত হওয়ার পরেই তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেল একটি পোস্টার ছড়িয়ে দিয়েছিল। সেখানে দেখা যায়, একটি বলের ওপর ব্যান্ডেজবাঁধা পা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন নীল পাড় সাদা শাড়ি পরা এক নারী। এর অর্থ বুঝতে অসুবিধা হয়নি কারও। মঙ্গলবার সেই পোস্টারের অন্তর্নিহিত কথাটাই যেন বলতে চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের 'দিদি'।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র বলেছেন, গণতন্ত্রে মানুষই রেফারি। তিনি ও তার ভাইপো মিলে গত ১০ বছর ধরে যে খেলা খেলেছেন, তাতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ভোটের লাইনে তাদের জন্য লালকার্ড হাতে দাঁড়াবে। তৃণমূলকে মাঠের বাইরে যেতেই হবে। সূত্র: দ্য ওয়াল