বুধবার, ১২ মে, ২০২১, ০১:৩৮:১৯

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৯ শিশুও রয়েছে। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় গাজার বিভিন্ন স্থানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। এর মধ্যে হামাসের একজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারের বাসভবন এবং দুইটি সীমান্ত সুড়ঙ্গও রয়েছে।

রমজান মাসে মধ্য এপ্রিল থেকে জেরুজালেম নিয়ে উত্তেজনা শুরু হয়। সমালোচকরা বলছেন, ইসরায়েলি বাহিনীর কঠোর হাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলা জেরুজালেমে মানুষের সমাবেশ নিষিদ্ধ করার কারণে।

সপ্তাহজুড়ে পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গনে সংঘর্ষ হয়েছে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে মসজিদটি দখল ইসরায়েল। টানা চতুর্থ দিনের মতো ইসরায়েলি পুলিশ টিয়ার গ্যাস, স্টান গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে।

সোমবার সন্ধ্যায় গাজা থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে হামাস। আল-আকসা মসজিদ থেকে ইসরায়েলি নিরাপত্তাবাহিনী প্রত্যাহারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার রকেট হামলা শুরু করে তারা। এখান থেকেই আন্তঃসীমান্ত হামলার উত্তেজনা শুরু হয়।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর দাবি, নিহতদের মধ্যে ১৫ জন জঙ্গি। একই সময়ে গাজার থেকে দুই শতাধিক রকেট ছোড়া হয়েছে ইসরায়েল লক্ষ্য করে। এতে তাদের ছয়জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছে।

সোমবার ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষের পর এই হামলা হলো। মূলত জেরুজালেমে সংঘর্ষ হলেও তা ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম তীরে। এসব সংঘর্ষে সাত শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত ৫০০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

অতীতের মতো এবারও জেরুজালেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। ইসলাম, ইহুদি ও খ্রিস্টান- তিন ধর্মালম্বীর কাছেই এটি পবিত্র শহর। এর আগে হামাস ও ইসরায়েলের আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষের অবসান হয়েছে কাতার, মিসর বা অন্যদের মধ্যস্থতায়। এবারও সেরকম হবে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে