আন্তর্জাতিক ডেস্ক : টানা এক বছরের বেশি সময় পর গত ১৮ এপ্রিল থেকে মাস্ক ছাড়াই রাস্তায় চলাফেরা করে ইসরাইলের নাগরিকরা। দেশটিতে মাস্ক পরার কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। করোনার বিরুদ্ধে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ অর্জন করায় ভাইরাসটির বিরুদ্ধে তাদের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করেছিল ইসরাইল।
দেশের বেশিরভাগ মানুষকে ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর সংক্রমণের হার কমে যাওয়ায় মাস্ক ছাড়াই মানুষকে বাইরে বের হওয়ার অনুমতি দেয় সরকার। এবার বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে নাগরিকদের করোনা টিকার তৃতীয় ডোজ দেয়া শুরু করেছে ইসরায়েল। শুক্রবার ষাটোর্ধ্বদের জন্য এই কার্যক্রম চালু করেছে তারা। শুক্রবার নিজে বায়োএনটেক-ফাইজারের টিকার তৃতীয় ডোজ নেওয়ার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্তস্যোগ।
এর ফলে যত দ্রুত সম্ভব ইসরায়েল স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরবে বলে আশা করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ৪৯ বছর বয়সি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। তিনি বলেন, ষাট বছর ও তার উপরের বয়সের মানুষদের তৃতীয় ডোজ টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েল পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনি এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন।
বয়সের কারণে প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় ডোজ নিতে না পারলেও পেয়েছেন তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোগী সাবেক প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। গত জুলাইতেই অবশ্য গুরুতরভাবে রোগ প্রতিরোধহীন মানুষদের তৃতীয় ডোজ টিকার অনুমোদন দেয় ইসরায়েল। ইসরায়েল সবার আগে তৃতীয় ডোজ টিকার অনুমোদন দিলেও এই বিষয়ে এখনও পূর্ণাঙ্গ কোনো গবেষণা প্রকাশিত হয়নি।