তালেবানের শিক্ষামন্ত্রী শেখ মৌলভি নুরুল্লাহ মুনির আগেই বলে দিয়েছিলেন যে তাদের কাছে পিএইচডি, মাস্টার্স ডিগ্রির কোনো দাম নেই। এবার তার প্রমাণ পাওয়া গেলো কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে। এতদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন পিএইচডি ডিগ্রিধারী মুহাম্মদ ওসমান বাবুরি। কিন্তু তিনি তালেবানের অনুগত না হওয়ায় তাকে পদচ্যু'ত করেছে মিলিশিয়া বাহিনীটি।
শুধু তাই নয়, তার স্থানে নিয়োগ দেয়া হয়েছে একজন ব্যাচেলর অব আর্টস বা বিএ ডিগ্রিধারীকে। শিক্ষায় পিছিয়ে থাকলেও শুধু তালেবানের অনুগত হওয়ায় কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেলেন আশরাফ ঘাইরাত নামের ওই ব্যাক্তি। এ খবর দিয়েছে আফগান সংবাদ সংস্থা খামা প্রেস।
এদিকে তালেবানের এমন একের পর এক কাণ্ডে ধৈ'র্যচ্যু'তি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের।
বিএ ডিগ্রিধারীকে ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়ে একযোগে পদত্যাগ করেছেন ৭০ জন শিক্ষক। ক্ষো'ভ জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরাও। জানা গেছে, আশরাফ ঘাইরাত মূলত এর আগের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরি করতেন। আগে থেকেই তিনি উ'গ্রবা'দী মতাদ'র্শের অ'নুসারী ছিলেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। এরইমধ্যে গত বছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে দেখা গেছে, তিনি সাংবাদিক হ'ত্যাকে সমর্থন দিচ্ছেন।
তালেবানের কাণ্ডকারখানা এখানেই শেষ না। তারা কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও বদলে দিয়েছে।