আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ সম্মেলনে নিউ ইয়র্ক সফরে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। কিন্তু এরদোগানের এই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেন বাইডেন। এই বিষয়টিতে একইসঙ্গে হতাশ ও ক্ষুদ্ধ হয়েছিলেন এরদোগান।
সে সময় সাংবাদিকদের কাছে নিজের হতাশার বিষয়টি সরাসরিই জানিয়েছিলেন তিনি। এবার রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত দিলেন এরদোগান। একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরদোগান দ্বিতীয় দফায় রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে ইচ্ছুক।
এছাড়া, বুধবরাই রাশিয়ার সোচির ব্ল্যাক সি রিসোর্টে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে এরদোগানের। এই বিষয়গুলোই মস্কোর সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অবশ্য রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বরাবরই সুসম্পর্ক ছিল এরদোগানের। তিনি নিজেই একাধিকবার পুতিনের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে, তুরস্কের প্রতি বাইডেনের বিমাতাসুলভ আচরণ ভুলতে পারেননি এরদোগান। তিনি তুরস্কের সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সাবেক সব মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে তার সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু শুধু বাইডেনের সঙ্গে এখনো দূরত্ব রয়ে গেছে তার। এর মাত্র একদিন পর এরদোগান ফের বাইডেনের সমালোচনা করে বলেছেন, বাইডেন নিউ ইয়র্ক সফরের সময় দুদেশের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সহযোগী পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটসের (ওয়াইপিজি) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রতার প্রসঙ্গ টেনে এরদোগান আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো’কে দমন না করে বরং তাদের সমর্থন জানাচ্ছে। অন্যদিকে, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়টি সামনে আসার পর তুরস্কের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।