দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে। তবে, এই মুহূর্তে আতঙ্কের আরেক নাম ওমিক্রন । কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য বলছে, ইতিমধ্যেই দেশের মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২১৩ জন। দিল্লিতে সবচেয়ে বেশি ৫৭ জন করোনার নতুন স্ট্রেনে আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, রাজস্থান, কেরলেও অবস্থা উদ্বেগজনক। তবে, ওমিক্রন আতঙ্ক বাদ দিলে সার্বিক করোনা পরিসংখ্যান ততটা উদ্বেগের নয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬ হাজার ৩১৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের তুলনায় খানিকটা বেশি। মারণ ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে প্রাণ হারিয়েছেন ৩১৮ জন। এই সংখ্যাটা অবশ্য আগের দিনের থেকে খানিকটা কম। এখনও পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ৩২৫ জন।
সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর হল, প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগী ৭৮ হাজার ১৯০ জন। যা ৫৭৫ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। ধীরে ধীরে বাড়ছে সুস্থতার হারও। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৪২ লক্ষ ১ হাজার ৯৬৬ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯০৬ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৪০ শতাংশ।
করোনার ওমিক্রন স্ট্রেনের হানা রুখতে টিকাকরণই হাতিয়ার কেন্দ্রের। ইতিমধ্যেই দেশে করোনার টিকার প্রায় ১৩৯ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭ লক্ষ টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। আপাতত দৈনিক আক্রান্তে স্বস্তি মিললেও বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা ওমিক্রনের প্রভাবে আগামী বছরের শুরুতেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে।-সংবাদ প্রতিদিন