আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্বামী দলীয় প্রার্থী। ওই ব্যক্তির স্ত্রীও দলের সক্রিয় কর্মী। তবে তার নাম প্রথমে প্রার্থী তালিকায় থাকলেও পরে বাদ পড়ে গেছে। তার পরেও ভোটে লড়ার জন্য স্ত্রী দাঁড়িয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। এজন্য তাদের দাম্পত্যে ভাঙনের ইঙ্গিত দিলেন স্বামী। স্বামী জানিয়েছেন, দলের স্বার্থেই তিনি তার স্ত্রীকে ডিভোর্সের নোটিস পাঠিয়েছেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পৌরসভা ভোটে দক্ষিণ দমদম পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান পরিষদ এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুরজিৎ রায়চৌধুরী গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ভোটের টিকিট না পাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলার হয়েছে। দলের স্বার্থে তিনি স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিস পাঠিয়েছেন। তার স্ত্রী বাপের বাড়িতে থাকতে শুরু করেছেন।
এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি তার স্ত্রী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র প্রার্থী রীতা রায়চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এটি তার পারিবারিক বিষয়। নির্বাচনের পরে যা বলার বলবেন। তবে নোটিস পেয়েছেন বলে তিনিও জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বেশ সরগরম। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথমে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রীতার নাম থাকলেও পরে সেখানে প্রার্থী হন টুম্পা দাস।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডজুড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীরই হোর্ডিং, ব্যানার রয়েছে। জোর প্রচার চলছে। তুলনায় তৃণমূল প্রচারে বরং কিছুটা পিছিয়ে। এই নিয়ে নানা জল্পনা ঘুরছে স্থানীয় মহলে। সুরজিৎ বলেছেন, ভোটে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিধানসভায় তৃণমূল ওই ওয়ার্ড থেকে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। আমার স্ত্রী যদি ভাবে স্বামী টিকিট পেয়েছে, অথচ তাকে দল যোগ্য মনে করল না বলে টিকিট দিল না সেক্ষেত্রে আমি কী করতে পারি। সেই কারণে আমি আমার স্ত্রীকে ডিভোর্সের নোটিস পাঠিয়েছি।