আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পালটা মার ইউক্রেনের। কিয়েভের আকাশে চক্কর কাটা রাশিয়ার ৫টি বিমান এবং একটি হেলিকপ্টার গুলি করে নামাল ইউক্রেন সেনা। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে মিলেছে এমনই খবর।
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ছিন্নভিন্ন হচ্ছে ইউক্রেন। বিস্ফোরণে কেঁপে উঠছে কিয়েভ, খারকিভ-সহ একাধিক শহর। রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেনের বিমানঘাঁটি, বায়ু সেনার সমস্ত সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে। অথচ মস্কোর একাধিক যুদ্ধবিমান, কপ্টার গুলি করে নামানোর দাবি করেছে ইউক্রেনও। সে দেশের আর্মি জেনারেল স্টাফ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “যৌথ অভিযানে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান ও কপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে।”
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি সূত্রে খবর, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেনা অভিযানের ঘোষণা করার কিছুক্ষণের মধ্যে পূর্ব ইউক্রেনের ডোনেৎস্ক প্রদেশের বন্দর শহর মারিউপোল থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর পর ইউক্রেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর কারকিভ ও কিয়েভ থেকেও বিস্ফোরণের খবর মিলেছে।
সূত্রের খবর, দুই শহরের সেনাঘাঁটিতে মিসাইল হামলা হয়েছে। হামলার খবর মিলেছে বেলগার্দ ওবাস্ত শহর থেকেও। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত পেরিয়ে খারকিভ শহরের দিকে এগোচ্ছে রুশ বাহিনী। তবে বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয় ইউক্রেনও। কড়া জবাব দিচ্ছে তারা। সবমিলিয়ে ইউক্রেনের আকাশে এখন বারুদের গন্ধ।
একের পর এক হামলার খবর নিয়ে মুখ খুলেছেন ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমাত্রেয় কুলেবা। তাঁর কথায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিস্ফোরণের খবর মিলেছে। রাশিয়ার আগ্রাসনের মুখে ইউক্রেন। শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনেন বিভিন্ন শহর থেকে হামলার খবর মিলেছে। তবে এই হামলার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে যোগ্য জবাব দেবে ইউক্রেন।” হামলা প্রসঙ্গে রাশিয়া জানিয়েছে, “হামলার নিশানায় ইউক্রেনের নাগরিকরা নয়, সেনার সম্পত্তি এবং ঘাঁটিতেই চলবে হামলা।” -সংবাদ প্রতিদিন