আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়েছে পরাশক্তি রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। পরিস্থিতি ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে। কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। এদিকে গত বৃহস্পতিবার ভোরে এই হামলা শুরু হয়। আজ বুধবার হামলার সপ্তমদিন। রাশিয়া-ইউক্রেনের এই যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ছয় দিনে রুশ সেনারা ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে অভিযান চালিয়েছে। এক যোগে বিভিন্ন দিক থেকে অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এরই মধ্যে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের রাজধানী শহর কিয়েভেও অভিযান শুরু করেছে। তবে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী ও দেশটির বেসামরিক নাগরিকরা কোথাও কোথাও শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তিনি বলেছিলেন, “আমি হলাম এক নম্বর টার্গেট। দ্বিতীয় টার্গেট আমার।”
এবার জেলেনস্কিকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত চেচেন সেনাবাহিনীর এলিট ইউনিটের একটি দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করল ইউক্রেন। ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা পরিষদের সেক্রেটারি ওলেকসি দানিলভ এক টেলিভিশন বক্তৃতায় এই দাবি করেন।
তিনি বলেন, “চেচেন সেনা ইউনিটের একটি দল আমাদের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে হত্যা করতে এসেছিল, তাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।”
দানিলভ বলেন, “এই দলটি দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে মিশনে নেমেছিল। তাদেরকে আমরা ট্র্যাক করছিলাম। একটি গ্রুপ ছিল হস্টমেলে বাধাগ্রস্ত হয়। অন্য দলটি আমাদের নজরেই ছিল। তাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা আমাদের প্রেসিডেন্ট কিংবা দেশকে কারও হাতে তুলে দিব না। এটা আমাদের ভূমি, তোমরা এখান থেকে দূর হও।” এর আগে চেচনিয়ার নেতা রমজান কাদিরভ বলেছিলেন, তার সেনারা ইউক্রেনের রুশ সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন নিহতের কথাও স্বীকার করেছিলেন তিনি। সূত্র: ডেইলি মেইল