রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২, ০৫:৪৭:৪৫

অসুস্থ মাকে একা ফেলে দেশ ছাড়েননি, মায়ের ওষুধ আনতে গিয়ে রুশ গোলায় ছিন্নভিন্ন তরুণী

অসুস্থ মাকে  একা ফেলে দেশ ছাড়েননি, মায়ের ওষুধ আনতে গিয়ে রুশ গোলায় ছিন্নভিন্ন তরুণী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যু'দ্ধবি'ধ্ব'স্ত কিয়েভের পথে বেরোনো বি'প'জ্জনক, পদে পদে মৃত্যুর হাতছানি। এসব জানার পরও মরিয়া হয়ে মায়ের ওষুধ আনতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি। আর রুশ গোলায় ছি'ন্নভি'ন্ন হয়ে গেল ইউক্রেনীয় তরুণীর দেহ। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসা কর্মী। যে মানুষটা যু'দ্ধে আহ'ত মানুষের সেবাকেই জীবনের ব্রত করছিলেন, দেশ ছাড়ার সুযোগ পেয়েও বি'পন্নদের হাত ছাড়েননি, তার ভাগ্যে ছুটলো মর্মা'ন্তিক মৃ'ত্যু।

৩১ বছর বয়সি ভ্যালেরিয়া মাকসেটস্কা আদতে দনেৎস্কের বাসিন্দা। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের শুরু থেকেই যুদ্ধে আহতদের সেবার কাজ করছিলেন তিনি। সম্প্রতি দনেৎস্কের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপর বাধ্য হয়ে রাজধানী কিয়েভের শহরতলিতে চলে আসেন ভ্যালেরিয়া। এখানেও একই কাজ করছিলেন। যোগ দিয়েছিলেন ‘ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট-এ। এদিন মায়ের ওষধের জন্য কিয়েভের রাস্তায় বেরিয়ে ছিলেন। 

তবে কিয়েভের শহরতলির একটি এলাকায় গাড়ি থেকে নেমে কিছুদূর এগোতেই রুশ ট্যাঙ্কের ছোড়া গোলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তরুণী চিকিৎসাকর্মীর দেহ। কিছুদূরে দাঁড় করানো গাড়ির ভিতরে ছিলেন ভ্যালেরিয়ার মা ইরিনা ও গাড়ির ড্রাইভার। রুশ হামলায় তাদেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভ্যালেরিয়ার মৃত্যুর কথা টুইট করে জানিয়েছেন ইউএসএআইডি সামান্থা পাওয়ার। তিনিই প্রথম দাবি করেন, রুশ গোলাতেই মৃত্যু হয়েছে সহকর্মীর। সূত্র : ডেইলি মেইল

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে