আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শিল্প শহর হলদিয়ার টাউনশিপে মাখনবাবুর বাজারে শনিবার নিয়ে আসা হয় ২০ কেজি ওজনের একটি সিলভার কার্প মাছ। মাছটি রবিবার কেটে বিক্রি করা হবে বলে জানান আড়তদার প্রদীপ কুমার দাস।
জানা গিয়েছে, শনিবার স্থানীয় বাড়ঘাশিপুর এলাকার মদন বেরার বাড়ির পুকুর থেকে উঠে আসে বৃহৎ আকৃতির ওই সিলভার কার্প মাছ। যার ওজন ২০ কেজি। হলদিয়ার মাখনবাবুর বাজারের আড়তদার প্রদীপ কুমার দাসের কাছে ২২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় মাছটি। এদিকে মাছটি বাজারে আসার পরই তা দেখার জন্য সেখানে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকে আবার মাছের সঙ্গে সেলফিও তোলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সৌমিত্র ঘোষ বলেন, "মাছ কেনার জন্য মাছ বাজারে এসে দেখি প্রদীপবাবুর আড়তে একটি বৃহৎ আকৃতির সিলভার কার্প মাছ রয়েছ। আমিও ফিসারিতে মাছের চাষ করে থাকি।
কিন্তু, এত বড় সিলভার কার্প মাছ আগে কখনও দেখিনি। ফলে কেনার ইচ্ছা হলেও মাছটি রবিবার কেটে বিক্রি করা হবে শুনে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে যাই। ভেবেছিলাম কেজি খানিক মাছ নেব। কিন্তু তা হল না।"
আড়তদার প্রদীপ কুমার দাস বলেন, "মাছটি ২২৫ টাকা কেজি দরে কিনেছি। রবিবার মাছটি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে। মাছটিকে যত্ন করে রাখা হয়ছে। আমি ৩৫ বছর ধরে হলদিয়ার মাখনবাবুর বাজারে মাছ ব্যবসা করছি। অন্যান্য মাছ দেখলেও এত বড় সিলভার কার্প দেখিনি। এই মাছ খেতে সুস্বাদু হবে। হলদিয়ার মানুষ মাছটি নিতে চাইলে রবিবার মাখনবাবুর বাজারে আসতে হবে তাঁদের।"
এর আগে বিশাল আকারের একটি ভেটকি মাছ ধরা পড়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবনের (Sundarbans) কালিতলা ঝিঙেখালি ফরেস্ট এলাকায় রায়মঙ্গল নদীতে। মাছটি ওজন করার পর দেখা গিয়েছিল, তার ওজন ১৯ কেজি ৬২০ গ্রাম। বাজারে নিলাম হয় মাছটির। দাম দাঁড়িয় প্রতি কেজিতে হাজার টাকা।
ভেটকি মাছটির মোট দাম উঠেছিল ১৯ হাজার ২০৮ টাকা। ঝিঙেখালি ফরেস্টের রায়মঙ্গলের বাসিন্দা হরিদাস মৃধা ও তাঁর বাবা বসুদেব মৃধা। নদীতে মাছ ধরেই তাঁরা জীবনযাপন করেন।
একদিন মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। এরপর ভোররাতের দিকে হঠাৎ জালের মধ্যে একটু বেশি জোরে টান পড়ে। তাতেই তাঁদের সন্দেহ হয়। তা বোঝার পর তাঁরা জাল খুলে দেখেন একটি বিশাল আকারের ভেটকি মাছ ধরা পড়েছে। আর সেই মাছ যখন তাঁরা পাড়ে নিয়ে আসেন তখন তা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন অন্য মৎস্যজীবীরা।-এই সময়