আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এবারকে কি Imran Khan-র হাজতবাস? গ্রেফতার হতে চলেছেন প্রাক্তন Pak প্রধানমন্ত্রী? আর্থিক প্রতারণা মামলায় Pakistan Tehreek-e-Insaf বা PTI প্রধান দ্বিতীয় নোটিস পেতেই শুরু হয়েছে জল্পনা।
Pak সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন অধিনায়ককে গ্রেফতারের যথেষ্ট প্রমাণ হাতে রয়েছে গোয়েন্দাদের। চাপের মুখেও মচকানো তো দূরে থাক উল্টে আক্রমণের রাস্তায় হেঁটেছেন Imran Khan।
২ দিনের মধ্যে ওই নোটিস প্রত্যাহার করতে বলে তদন্তকারী সংস্থাকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। তেমনটা না হলে তিনি যে আইনের আশ্রয় নেবেন ওই চিঠিতে সেটাও উল্লেখ করেছেন প্রাক্তন Pak প্রধানমন্ত্রী।
গত শুক্রবার Pak তদন্তকারী সংস্থা Federal Investigation Agency বা FIA-র থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা সংক্রান্ত দ্বিতীয় নোটিস পান ইমরান খান। এর আগে গত সপ্তাহের বুধবার প্রথম নোটিস পেয়েছিলেন তিনি। Pakistan-র আইন অনুযায়ী, আর্থিক প্রতারণায় অভিযুক্ত কোনও ব্যক্তিকে ৩ বার নোটিস দেওয়া হয়।
তারপরও হাজিরা না দিলে তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। দ্বিতীয় নোটিস পাওয়ার পরও হাজিরা দেবেন না বলে জানিয়ে দেন ইমরান খান। এরপরই শুরু হয়ে যায় তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে জল্পনা।
ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে প্রাক্তন Pak প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে? ২০১৪-র নভেম্বরে Imran-র পার্টি PTI-র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা Akbar S Babar দলের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করেন।
সূত্রের খবর তদন্তে নেমে FIA ইমরানের দলের সঙ্গে যুক্ত ৫টি সংস্থার হদিশ পায়। এই সংস্থাগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ব্রিটেন এবং বেলজিয়ামে রয়েছে। গোয়েন্দাদের দাবি, Election Commission of Pakistan বা ECP-কে দেওয়া হলফনামায় এই সংস্থাগুলির কথা উল্লেখ করেননি ইমরান খান।
এই সংস্থাগুলির মাধ্যমেই কালো টাকার লেনদেন হয়েছে বলে দাবি গোয়েন্দাদের। ECP-র তরফে অবশ্য কেন তথ্য গোপন করা হল, PTI-র কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। উত্তর দেওয়ার বদলে ECP-কেই পক্ষপাত দুষ্ট বলে অভিযোগ করেন ইমরান খান।
Pakistan-র রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর হাজতবাসের উদাহরণ ভূরি ভূরি। Zulfiqar Ali Bhutto থেকে শুরু করে Asif Ali Zardari বা Nawaz Sharif। কখনও ক্ষমতা দখল করতে কাউকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী।
কেউ আবার হাজতবাস করেছেন খু'নের মামলাতেও। এদের মধ্যে শুধু জেল নয়, মৃত্যুদণ্ডও হয় Zulfiqar Ali Bhutto-র। Imran Khan-র অবশ্য এখনই তেমন পরিণতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তথ্যসূত্র : এই সময়