শনিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২২, ০৮:৩৬:৪৯

রাতে বৌদির ঘরে ঢুকেছিলেন দেবর, অতঃপর সব শেষ!

রাতে বৌদির ঘরে ঢুকেছিলেন দেবর, অতঃপর সব শেষ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৌদির বাড়িতে ঢুকে প্রাণ গেল দেবরের। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির খড়িবাড়ি এলাকার ঘটনা। শুক্রবার রাতেই বৌদির বাড়িতে এসেছিল দেবর মুতঙ্গরাম মুর্মূ। সকালে তার র'ক্তা'ক্ত দে'হ উ'দ্ধা'র হয়। দেহে ধা'রা'লো অ'স্ত্রে'র আ'ঘা'তের চিহ্ন ছিল। 

পুলিশ খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। বৌদি লক্ষ্মী মুর্মূ প'লা'তক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মুতঙ্গরাম মুর্মু (৩০)। তিনি শুক্রবার রাতেই বৌদি লক্ষ্মী মুর্মুর ঘরে ঢুকেছিলেন। অতঃপর সব শেষ। শনিবার সকালে লক্ষ্মীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তার র'ক্তা'ক্ত দে'হ। 

তার মাথায় এবং কানে আ'ঘা'তের চিহ্ন রয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই লক্ষ্মীর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খড়িবাড়ি থানার পুলিশ। ময়নাতদ'ন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয় মৃ'তদেহ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ধারাল কোনও অ'স্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খু'ন করা হয়ে থাকতে পারে মুতঙ্গরামকে। 

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে মুতঙ্গরামের দাদা মা'রা যায়। তারপর থেকেই দেবর ও বৌদির মধ্যে ঘনি'ষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল কিন্তু লক্ষী মুর্মুর বাড়িতে আরও একজনের যাতায়াত ছিল। ফলে ওই ঘটনার জেরেই ত্রিকোণ প্রেম দানা বেঁধেছিল কি না, তা নিয়ে স'ন্দে'হ পুলিশের।

এক প্রতিবেশী জানান, এদিন মতুঙ্গরামের মা ছেলেকে খুঁজতে এসে ছেলেকে র'ক্তা'ক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। লক্ষী মুর্মুর এটা বাপের বাড়ি। বাড়িতে একাই থাকত সে। মুতঙ্গরাম ছাড়াও আরেকজনকে মাঝে-মধ্যে এখানে থাকতে দেখা যেত বলে জানান এলাকাবাসীরা। গোটা ঘটনার তদ'ন্তে নেমেছে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে