আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাড়া প্রতিবেশীরা স্বামীকে ডাকেন দাদু বলে। কিন্তু সেই ৫৫ বছরের বৃদ্ধ বিছানায় ‘লেটার মার্কস’ পেয়ে পাস করার জেরেই ২৮ বছর বয়সী লেইলাকে বিয়ে করে ফেলেছেন। সোশাল মিডিয়ায় আবার যার পরিচয় ‘হট’ লেডি হিসাবে।
লেইলা তার থেকে এতো বছরের বড় ব্রুস গ্রিফিনকে বিয়ে করায় রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। প্রায় প্রতিদিনই নেটিজেনদের চর্চায় থাকছেন এই দম্পতি। শুধু তাই নয়, এক সন্তানের জননী লেইলার বিয়ে হয়ে গিয়েছে, তা মানতেই রাজি নন অনেকে।
এখনও তিনি কোনও ছবি পোস্ট করলে আসে বিয়ের প্রস্তাব। অনেক সময় শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েও তার ছবিতে কমেন্ট করেছেন অনেকে। যদিও কোনও কিছুকেই পাত্তা দিচ্ছেন না লেইলা। স্বামী ও সন্তান নিয়ে সংসার করছেন তিনি। তবে আগে বিছায়ায় তৃপ্ত করে তরুণীকে বিয়ে করলেন ৫৫ বছরের বৃদ্ধ।
এতো বছরের বড় পুরুষকে কী ভাবে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন লেইলা? সাংবাদমাধ্যমের কাছে নিজেই সেকথা জানিয়েছেন তিনি। তার কথায়, “বিয়ের জন্য যোগ্য পুরুষের খোঁজ করছিলাম। সেই সময় ব্রুসের সঙ্গে দেখা হয়। আমরা প্রায় তিন ঘণ্টা কথা বলেছিলাম। অর্থনৈতিক ভাবে যথেষ্ট সাবলম্বী ব্রুসের বয়স হয়ে যাওয়ায় ওকে বিয়ে করব এটা প্রথমে ভাবিনি।”
প্রথম সাক্ষাতের প্রায় চার মাস পর ব্রুসের বাড়িতে গিয়েছিলেন লেইলা। সেখানেই ব্রুসের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লি'প্ত হন তিনি। আর তারপরই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন লেইলা। ব্রুসের সঙ্গে তাঁর শারীরিক সম্পর্কের কথাও খোলামেলাভাবে সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেছেন ২৮ বছরের লেইলা।
সাক্ষাৎকারে লেইলা বলেন, “বিছানায় কখনও আমার মনে হয়নি ব্রুসের বয়স এতো বেশি। তখন ওর আচরণ থাকে ২১ বছরের তরুণের মতো। স্বামীর অনেক বয়স এই হিনম্নতায় ভুগলে হবে না। স্বামী কতটা আপনাকে ভালোবাসে, জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে কী ভাবে আপনার পাশে থাকছেন সেটা দেখতে হবে।”
তার সঙ্গে ব্রুসের সম্পর্ক নিয়ে নেটিজেনদের উৎসাহের বিষয়টি রীতিমতো উপভোগ করেন বলে জানিয়েছেন লেইলা। বলেন, “প্রথম প্রথম এটা খারাপ লাগত। কারণ অনেকেই আমাকে সোনার খনি বলে উল্লেখ করতেন। কেউ আবার এমনটাই লিখেছিলেন যে শুধু টাকার লোভের আমি ব্রুসকে বিয়ে করেছি। বর্তমানে সব কমেন্টই নির্মল আনন্দ দেয় আমাকে।”