আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে থাকা ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনককেই এবার সমর্থন জানাচ্ছেন বরিস জনসন! বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রধানমন্ত্রী পদ পাবেন বহুজাতিক তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা ‘ইনফোসিস’-র প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই?
শনিবার কনজারভেটিভ পার্টির দুই হেভিওয়েট নেতার মুখোমুখি সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দলের মধ্যে ভাঙন ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী পদে ভোট এড়ানো যায় কিনা, তা নিয়ে হয়েছে আলোচনা। সেক্ষেত্রে যুগ্মভাবে একজন নেতাকেই বেছে নেওয়ার বিষয়েও কথা বলেছেন তারা।
যদিও এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলি। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বরিসের ক্যাবিনেটে অর্থমন্ত্রী ছিলেন ঋষি সুনক। কিন্তু ঋষি ইস্তফা দেওয়ায় বরিসের অপসারণ একরকম নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ফলে দুইজনের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে।
পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি পেতে লিজ ট্রাসের বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়ে ছিলেন ঋষি। ওই সময় তার সঙ্গে দেখা বা কথা বলতে চাননি বরিস জনসন। শনিবারের সাক্ষাতের পর সেই দূরত্ব অনেকটাই ঘুচে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
গত ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে লিজ ট্রাস পদত্যাগ করতেই ব্রিটেনে নতুন করে দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক সংকট। পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও গত তিন বছরে দুইজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে ব্রিটেন। বারবার ‘রক্ষণশীল’ প্রধানমন্ত্রীরা পদত্যাগ করায় ইতিমধ্যেই ফের নির্বাচনের দাবি তুলেছে বিরোধী দল লেবার পার্টি।
পশ্চিমী সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, এই অবস্থায় দলের মধ্যে থেকে সর্বসম্মতভাবে কাউকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বেছে নিতে চাইছে কনজারভেটিভ পার্টি। সেই কারণেই দলের পক্ষ থেকেই ঋষি ও বরিসের সাক্ষাতের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে তারা।