আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বিহার রাজ্যের সিওয়ানের জিরাদেইয়ে জন্ম নিয়েছিলেন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ। সেই সিওয়ানেই জন্ম নেওয়া প্রজ্জ্বল পাণ্ডে এখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের কোর কমিটিতে স্থান পেয়ে নজর কেড়েছেন।
প্রায় এক দশক ধরে যুক্তরাজ্যে বাবা রাজেশ পাণ্ডে ও মা মনীষা পাণ্ডের সঙ্গে ব্রিটেনে থাকেন প্রজ্জ্বল। প্রজ্জ্বলের দাদু বাগীশ দত্ত পাণ্ডে চাকরি সূত্রে ঝাড়খণ্ডের সিন্দ্রিতে থাকেন। তার পরিবারের লোকজন প্রায়ই সিওয়ানের জামাপুর গ্রামে বেড়াতে আসেন। ব্রিটেনে পাড়ি দেওয়ার আগে সিন্দ্রিতেই বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন প্রজ্জ্বল।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দলে প্রজ্জ্বলের অন্তর্ভুক্তিতে তাই স্বভাবতই গর্বিত সিওয়ান জেলার মানুষজন। এর আগে ২০১৯ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন প্রজ্জ্বল। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে রেকর্ড ভোট পেয়ে ব্রিটেনের ইউথ পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
এসেক্সের চেমসফোর্ড শহরে ‘কিং এডওয়ার্ড সিক্থ গ্রামার স্কুলে’ পড়াশোনা করেন প্রজ্জ্বল। চলতি বছরের অগস্ট মাসে লিজ ট্রাসের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রিত্বের লড়াইতে নামার সময় থেকেই প্রজ্জ্বলকে নিজের দলে রাখেন ঋষি। ঋষির প্রচারের দায়িত্বে থাকা ৩০ সদস্যের ‘কোর কমিটিতে’ তখন থেকেই আছেন প্রজ্জ্বল।
প্রজ্জ্বলের বোন প্রাঞ্জল পান্ডে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস করছেন। বাবা ব্রিটেনের ডিফেন্স সার্ভিসে আছেন। তিনি পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। একই সঙ্গে তাঁর মা মনীষা পাণ্ডে একজন শিক্ষিকা। মাইরওয়া লেবারি গ্রামের বাসিন্দা প্রজ্জ্বলের আত্মীয় বিনীত কুমার দ্বিবেদী বলেন যে প্রজ্জ্বল প্রথম থেকেই প্রতিশ্রুতিবান ছাত্র ছিল।
সে যখন ভারতে আসে তখন সে সবার সঙ্গে ঘুলে মিশে যায়। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে সবাই খুব আশাবাদী বলে জানান বিনীত। প্রজ্জ্বলের বাবা ছেলে প্রসঙ্গে বলেন, ‘ঋষির একাধিক শীর্ষ উপদেষ্টার সঙ্গে কাজ করেছে সে। এমপি, মন্ত্রী এবং ঋষির সঙ্গে ওর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।’