আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানের ডাকা চলমান লংমার্চের ওপর গুলি হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনায় আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে বন্দুকধারীকে শুরুতেই আটকে ফেলতে না পারলে আরও ভয়াবহ পরিণতি হতে পারতো। হামলাকারীকে রুখে দিয়েছিলেন যুবক ইবতাশাম হাসান। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইমরান খান।
আর এই সাক্ষাতের সময় ইবতাশামকে পাকিস্তানের নায়ক (পাকিস্তান কো হিরো হো তুম) বলে উল্লেখ করেন পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) এর প্রধান ইমরান খান। এই সময় হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই ইবতাশামের টি শার্টে অটোগ্রাফ দেন ইমরান খান।
তিনি বলেন, ‘তুমি পাকিস্তানের হিরো। বড় হৃদয়ের মানুষ। অনেক ভালো লেগেছে।’এ সময় যুবক ইবতাশাম ইমরান খানকে বলেন, ‘আপনিই আমাদের হিরো’। উজিরাবাদের ওই যুবকের বাড়িতে যাওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন ইমরান খান।
মূলত ইমরানকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছেন বছর তিরিশের সাহসী ইবতাশাম। ইমরানকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর সময় তৎপর হয়ে ওঠেন ওই যুবক। ঠিক সময়ে তিনি তৎপর না হলে নিহতও হতে পারতেন এ সাবেক পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী।
পিটিআই চেয়ারম্যানকে বাঁচিয়ে এখন প্রশংসায় ভাসছেন ওই যুবক।এআরওয়াই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সাহসী পাকিস্তানি যুবক বলেন, ‘আমি দাঁড়িয়েছিলাম, হঠাৎ দেখলাম আমার থেকে ১০-১২ ফুট দূরে এক ব্যক্তি পিস্তল বের করে (ইমরান খানের দিকে) তাক করছে। এ সময় আমি ছুটে গিয়ে তাকে ধরে ফেলি।’
ওই যুবক আরও জানান, ‘আমি (তার কাছে) পৌঁছানোর আগেই সে এক রাউন্ড গুলি করে ফেলেছে। তার কাছে পৌঁছে আমি প্রথমেই তার বন্দুক ধরা হাতটি ধরে ফেলি।
এ সময় (হামলাকারী) যেসব গুলি ছুড়েছে সেগুলো একটাও আর ঠিক লক্ষ্যে আঘাত করতে পারেনিযাতিনি বলেন, ‘তারপরই সে আমার হাত ছাড়িয়ে সামনের দিকে ছুটে পালানোর চেষ্টা করে। আমিও তার পিছু দৌড়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ধরে ফেলতে সক্ষম হই, আলহামদুলিল্লাহ। তারপর পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।’