আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সদ্য প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরতে হয়েছে লিজ ট্রাসকে। মাত্র দেড় মাস প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন তিনি। এবার তার সঙ্গেই ঘটে গেল এক অদ্ভুত ঘটনা। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তার কার্ড ব্যবহার করে টাকা দিতে পারলেন না রেস্তোরাঁয়া।
লন্ডন ব্রিজের কাছে এক রেস্তোরাঁয় রীতিমতো অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হল তাকে। তার এক বন্ধু টাকা মিটিয়ে দেন। রেস্তোরাঁয় উপস্থিত অনেকেই এনিয়ে আলোচনাও শুরু করে দেন। খুব কম দিন প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন লিজ ট্রাস। কিন্তু তাই বলে তিনি একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী তো বটেই!
তাই তার কার্ড এভাবে খারিজ হয়ে যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। কী কারণে তার কার্ড থেকে টাকা দেওয়া গেল না, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তবে রেস্তোরাঁয় বিল মেটাতে না পেরে অস্বস্তিতে পড়েন ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
দ্য সান পত্রিকার প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বন্ধু রেস্তোরাঁর বিল মিটিয়ে দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তড়িঘড়ি বেরিয়ে যান ট্রাস। ততক্ষণে রেস্তোরাঁর ভিতর গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। কেউ কেউ মজা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বেতন বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলেই কার্ডে আর লেনদেন করা যাচ্ছে না।
মাত্র ৪৪ দিন রাজ্যপাট সামলেছেন লিজ় ট্রাস। মূলত আর্থিক নীতি নিয়ে নিজের দলেরই সদস্যের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। তার ওপর আস্থা হারাচ্ছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরাই। সমর্থন তুলে নিয়েছিলেন অনেকেরা। পরে ইস্তফা দেন তিনি।
মাত্র কয়েকদিন প্রধানমন্ত্রী পদে থাকলেও বিপুল আর্থিক ভাতা পাচ্ছেন লিজ ট্রাস। আর্থিক ভাতার অঙ্কটাও খুব একটা কম নয়। জানা গিয়েছে, প্রতি বছর তিনি পাবেন ১ লক্ষ ১৫ হাজার পাউন্ড, বাংলাদেশির মুদ্রায় যার পরিমাণ ১ কোটি টাকার বেশির।