আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর কনের মধ্যে বয়সের ব্যবধান প্রায় ৫০ বছরের। কিন্তু তাতে কী? সব বাধা উড়িয়েই বিয়ে করে সংসার পাতলেন যুগলে। প্রেমের জোরেই নাকি বয়সের বাধা অতিক্রম করেছেন তাঁরা, দাবি পাকিস্তানের এই দম্পতির। আসুন, শুনে নেওয়া যাক।
খাতায় কলমে বয়স বেড়েছে বটে, কিন্তু মনের দিক থেকে তিনি এখনও তরুণ তুর্কি। এমনটাই মনে করেন পাকিস্তানের বাসিন্দা এই ৭০ বছরের বৃদ্ধ। আর সেই মনের কথা শুনেই মাত্র ১৯ বছরের তরুণীকে বিয়ে করলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ।
অন্যদিকে তার নবপরিণীতা বধূও মনে করেন, প্রেমের ক্ষেত্রে বয়স তো কেবল একটা সংখ্যা মাত্র। নতুন সংসারে সুখেই আছেন এই অসমবয়সি দম্পতি, নেটমাধ্যমে এক ভিডিওতে এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা।
রোমান্সের ক্ষেত্রে বয়সের কোনও গুরুত্বই নেই, এমনটাই মনে করেন ৭০ বছর বয়সি লিয়াকত আলি। তাই এই বয়সেও একটি তরুণী মেয়েকে দেখে প্রেমে পড়তে তিনি দুবার ভাবেননি। হ্যাঁ, যে তরুণীকে তিনি সম্প্রতি বিয়ে করেছেন, সেই শুমাইলা আলির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ, তারপর প্রেম নিবেদন, সবটাকেই বেশ নাটকীয় বলা চলে।
ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে তরুণীকে প্রথম দেখেছিলেন তিনি। লাহোরের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতেই মেয়েটিকে দেখে তার মনে ধরে যায়। আর মনের কথা শুনেই মনের মানুষটিকে মুগ্ধ করার জন্য উঠেপড়ে লাগেন বৃদ্ধ। একদিন তিনি ঠিক করেন, তরুণীর পিছু নেবেন তিনি। তবে এমনি এমনি নয়।
জগিং করার ছুতোয় শুমাইলাকে অনুসরণ করতে করতে গান গেয়ে চলবেন। আর এইভাবেই নাকি তাদের প্রেমের সূত্রপাত হয়েছিল বলে জানিয়েছেন যুগলে। যা শেষমেশ পরিণতি পেয়েছে বিয়ের আসরে। সম্প্রতি এক ইউটিউবারকে নিজেদের প্রেমকাহিনি জানিয়েছেন পাকিস্তানের এই নবদম্পতি।
আর সেই সূত্রেই সামনে এসেছে এহেন অসমবয়সি সম্পর্কের গল্প। যদিও তরুণীর বাড়ি থেকে এই বিয়েতে বেশ বাধা এসেছিল। কিন্তু শেষমেশ বাড়ির লোকজনদের তারা নিজেদের কথা বোঝাতে পেরেছেন বলেই জানিয়েছেন ওই তরুণী। এদিকে লিয়াকত আলির সাফ কথা, বিয়ের বয়স বলে কিছু হয় না। যদি কোনও আইনি বাধা না থাকে, তবে যে বিয়ে করতে ইচ্ছুক সেই বিয়ে করতে পারে।