আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের মধ্যপ্রদেশের প্রেমের চেহারা দেখে আঁতকে উঠলো গোটা সমাজ। প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে এলোপাথাড়ি লাথি-ঘুসি মা'রল প্রেমিক। বে'ধ'ড়ক মা'রের চোটে জ্ঞান হারান তরুণী।
ওই ভাবেই রাস্তায় প্রায় ঘণ্টা খানেক পড়ে থাকেন। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার সঙ্গীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সামনে দাঁড়িয়ে গোটা ঘটনার ভিডিও করে সে, এরপর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। ভিডিও সূত্রে নি'র্ম'ম অ'পরা'ধ প্রকাশ্যে আসে।
মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি রেওয়া জেলার মৌগঞ্জের। ভিডিওটি গত বুধবারের। মূল অভিযুক্ত ২৪ বছরের পঙ্কজ ত্রিপাঠী। নি'র্যা'তিতা ১৯ বছরের তরুণীর পরিচয় প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, প্রেমিক-প্রেমিকা পাশাপাশি হাঁটছেন। এরপর উভয়ের মধ্যে বিয়ে নিয়ে কথা হয়।
তরুণী জানান, তার পরিবার আপত্তি করছে। তখনই আচমকা ক্ষি'প্ত যুবক তরুণীর চুলের মুঠি ধরে রাস্তায় টেনে ফেলে এবং নির্দয় ভাবে লাথি ও ঘুসি মা'রতে থাকে। এক সময় মা'রের চো'টে জ্ঞান হা'রান তরুণী। জানা গিয়েছে, ওই অবস্থায় প্রায় ঘণ্টা খানেক রাস্তায় পড়েছিলেন। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে তাকে উ'দ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গী গোট ঘটনার ভিডিও করে সোশ্যাল পোস্ট করে দেয়। যা দেখে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। খোঁ'জ শুরু হয় অভিযুক্তদের। দিনের শেষ প'লা'তক অভিযুক্ত পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে মির্জাপুর থেকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। ভিডিও করেছিল যে যুবক তাকেও গ্রে'প্তা'র করা হয়েছে। তার জেরা করা হচ্ছে।
মা'রধ'র, খু'নের চেষ্টার পাশাপাশি সাইবার ক্রা'ইম আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিষয়ে রেওয়ার এএসপি অনিল সোনকর জানান, অভিযুক্ত ধেরা গ্রামের বাসিন্দা, তরুণী অন্য কোনও গ্রামের। ঘটনাস্থল থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতাল পাঠানো হয়। মূলত ভিডিওর উপর ভিত্তি করেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।