আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বড় একটি স্বস্তির খবর পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা করেছেন বলে মমতার নামে আদালতে অভিযোগ করেছিলেন মুম্বইয়ের এক বিজেপি নেতা। তা নিয়ে সমন পাঠানো হয়েছিল মমতাকে। সেই সমনই খারিজ করে দিল মুম্বইয়ের এক আদালত।
ওই আদালতের বিশেষ বিচারক আরএন রোকাড়ে জানান, সমন পাঠানোর প্রক্রিয়ায় ত্রুটি রয়েছে। নগর দায়রা আদালতের যে বিচারক মমতাকে সমন পাঠিয়েছেন, তিনি আইনের জরুরি বিষয় মানেননি বলেই দাবি বিশেষ আদালতের বিচারকের।
বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘‘নগর দায়রা আদালতের বিচারক যে প্রক্রিয়ায় সমন পাঠিয়েছেন, তার সঙ্গে আরও অনেক বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। যেমন, অভিযোগকারী বিজেপি নেতা বিবেকানন্দ গুপ্ত সম্পর্কে খবরাখবর নিয়ে তা হলফনামায় জানানো উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা ছিল না।’’ এই যুক্তি দিয়ে বিশেষ আদালত সমন পাঠানোর বিষয়টি ফের ওই বিচারকের কাছে পাঠিয়েছে। নির্দেশ দিয়েছে, আইনের সব প্রক্রিয়া মেনে যেন তিনি ফের সমন পাঠান।
মুম্বইয়ের কাফ প্যারাডে যশবন্তরাও চভন প্রেক্ষাগৃহে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন মমতা। কর্মসূচিরে শেষে চেয়ারে বসেই জাতীয় সঙ্গীতে গলা মিলিয়েছিলেন মমতা বলে অভিযোগ মুম্বইয়ের বিজেপি সম্পাদক গুপ্তের।
তিনি সেই নিয়ে কাফে প্যারেড থানায় অভিযোগ করেছিলেন। পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। এর পর মু্ম্বইয়ের সিউরির নগর দায়রা আদালতে অভিযোগ করেছিলেন গুপ্ত। এর পরই মমতাকে সমন পাঠায় ওই আদালত। ২০২২ সালের ২ মার্চ হাজির হতে বলে মমতাকে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা এর পর এই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতের দ্বারস্থ হন। গত ফেব্রুয়ারিতে বিশেষ আদালতের বিচারক এই সমনে স্থগিতাদেশ দেন। এই মামলায় অভিযোগকারী এবং মহারাষ্ট্র সরকারের জবাব চান।