আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বাড়িতে কারা যেতেন তা জানতে চান কংগ্রেসের রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা। তাদের দাবি, প্রেসিডেন্টের বাসভবনে গোপনীয় সরকারি নথি থাকা জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির ঘটনা।
জো বাইডেন গত বৃহস্পতিবার স্বীকার করেছেন, ডেলাওয়্যারে তার বাসভবনের গ্যারেজে সংবেদনশীল উপাদান পাওয়া গেছে।
তবে রিপাবলিকানদের চাহিদামাফিক দর্শণার্থীদের নথি প্রকাশ করা হবে কি না, সে ব্যাপারে বাইডেনের তরফ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। দেশটির বিচার বিভাগ নথিগুলো দেখার জন্য একজন তদন্তকারী নিয়োগ করেছেন।
প্রসঙ্গত, বাইডেনের সহযোগীরা গোপনীয় সরকারি রেকর্ডের একটি নতুন ব্যাচ খুঁজে পেয়েছেন। দ্বিতীয় আরেকটি স্থানে এগুলো পাওয়া যায়। এতে হোয়াইট হাউসের জন্য রাজনৈতিক বিব্রতকর পরিস্থিতির মাত্রা আরো বেড়েছে।
প্রথম দফায় ওয়াশিংটন ডিসির একটি বেসরকারি অফিসে নথি পাওয়া গিয়েছিল। ওই অফিসটি বাইডেন অতীতে ভাইস-প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে ব্যবহার করেছিলেন। বাইডেনের পূর্বসূরী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভুলভাবে গোপন ফাইল পরিচালনা করার অভিযোগে ফৌজদারি তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন।
বাইডেনের সহযোগীরা কখন বা কোথায় ফাইলগুলোর অতিরিক্ত অংশ খুঁজে পেয়েছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট ছিল না।
হোয়াইট হাউসের কাছে অবস্থিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পেন বাইডেন সেন্টারে নভেম্বরে প্রায় ১০ টি নথির প্রথম ব্যাচটি পাওয়া গিয়েছিল। ওই কাগজপত্রগুলোর মধ্যে ইউক্রেন, ইরান এবং যুক্তরাজ্য সম্পর্কিত মার্কিন গোয়েন্দা মেমো এবং ব্রিফিং সামগ্রী রয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে বুধবার তার দৈনিক প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় বাইডেনের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জঁ-পিয়ের প্রথম ফাইলগুলো সম্পর্কে প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করেছিলেন। জঁ-পিয়ের বলেন, ‘এটি বিচার বিভাগ পর্যালোচনা করছে। প্রেসিডেন্ট যা বলেছেন তার বাইরে আমি যেতে চাচ্ছি না।’
বাইডেন মঙ্গলবার বলেন, তিনি রেকর্ডগুলো আবিষ্কার করে ‘বিস্মিত’ হয়েছিলেন। বিচার বিভাগের পর্যালোচনায় ‘সহযোগিতা’ ও করছেন। সূত্র: বিবিসি