রবিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ১০:৪১:৩২

ঘন্টায় ২৪১ কি.মি বেগে আছড়ে পড়লো পরপর ৫টি প্রবল ঘূর্ণিঝড়

ঘন্টায় ২৪১ কি.মি বেগে আছড়ে পড়লো পরপর ৫টি প্রবল ঘূর্ণিঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রবল ঘূর্ণিঝড় টর্নেডোর দাপটে লণ্ডভণ্ড আমেরিকা। শুক্রবার ঝড় আছড়ে পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের রাজ্য আলাবামায়। এছাড়াও ঝড় বয়ে গিয়েছে মিসিসিপি থেকে শুরু করে জর্জিয়া পর্যন্ত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার বাড়ি। আমেরিকার আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে, পরপর অন্তত ৫টি টর্নেডো আছড়ে পড়ে মধ্য আলাবামায়। ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৪১ কিলোমিটার। সূত্রের খবর, টর্নেডোর জেরে নিখোঁজ রয়েছে বেশ কয়েকজন। 

এদের মধ্যে শিশু ও স্কুল শিক্ষার্থীও রয়েছে। তাদের উদ্ধারে ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে কাজে লাগিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। জর্জিয়ার গভর্নর ব্রায়ান কেম্প জানিয়েছেন, “নিখোঁজ স্কুল শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। তবে মৃ'তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

আলাবামা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের জেরে অন্তত ৫০টি সম্পত্তি ক্ষ'তিগ্র'স্ত হয়েছে। ঝড়ের দা'পটে ভেঙে পড়ে একাধিক গাছ। উপড়ে যায় বিদ্যুতের পোল। এছাড়া বেশ কিছু বাড়ির চালও উড়ে যায়। গাছ ভেঙে পড়ে জর্জিয়াতে মৃত্যু হয় পাঁচ বছরের এক শিশুর। 

শুধু তাই নয়, শুক্রবারের ঝড়ের দাপট সহ্য করতে পারেনি মালবাহী ট্রেনও। রেললাইন থেকে ছিটকে পড়ে ওই ট্রেন। গত মাসেই বড়দিনের ঠিক মুখে তুষারঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমেরিকার। আবহবিদরা ওই তুষারঝড়ের নাম দিয়েছিলেন ‘বম্ব সাইক্লোনে’। এর জেরে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছিল নিউ ইয়র্কের বুফালো এলাকায়।

তুষারঝড়ের সময় তাপমাত্রা চলে যায় হিমাঙ্কের ৫০ ডিগ্রি নীচে। খারাপ প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবার উপরে। প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যেই বিদুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় এক সপ্তাহের বেশি সময় কাটাতে হয় হাজার হাজার মার্কিনিকে। নিউ ইয়র্কের রাস্তায় জমে গিয়েছিল ৮ ফুট পুরু বরফ। 

সেই তুষার সরাতে গিয়ে রীতিমতো হিমসিম খেতে হয় মার্কিন প্রশাসনকে। তুষারঝড়ের জেরে ৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় আমেরিকায়। সেই ঘটনার রেশ কটাতে না কাটতেই টর্নেডো আছড়ে পড়লো দক্ষিণ পূর্ব আমেরিকায়। অন্যদিকে গত শুক্রবার প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে আমেরিকায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল উড়ান পরিষেবা।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে