আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যত বিখ্যাত তত অভিশপ্ত নেপালে ইয়েতি এয়ারলাইন্স! একের পর এক ঘটনায় এমনটাই যেন প্রকাশিত হচ্ছে। আগেই জানা গিয়েছিল, গত পরশু নেপালের পোখরা বিমান বন্দরে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের কো-পাইলট অঞ্জু খাতিওয়াড়ার স্বামীর মৃত্যু হয়েছিল উড়ান দুর্ঘটনায়।
১৬ বছর আগে ‘ইয়েতি’র একটি বিমানে কো-পাইলট ছিলেন তিনি, যেটি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়। এবার জানা গেল, অভিশপ্ত নেপালের এয়ারলাইন্সটি, মালিকও মরে ছিলেন উড়ান দুর্ঘটনায়। ইয়েতির মালিকেরও মৃত্যুও হয়েছিল উড়ান ভেঙে পড়ায়। তবে বিমান নয়, হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে প্রাণ গিয়েছিল তার।
হোটেল ও বেসরকারি বিমান পরিষেবার ব্যবসা ছিল আং শিরিং শেরপার। এই শিল্পপতির মৃত্যু হয় ২০১৯ সালে একটি হেলিকপ্টর দুর্ঘটনায়। তেরথুম জেলায় পাহাড়ে ধাক্কা লেগে ধ্বংস হয় হেলিকপ্টারটি। উড়ানটিতে ছিলেন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের মালিক, পাইলট-সহ মোট ৬ জন।
হাই প্রোফাইল সকলের মৃত্যু হয় ভয়ংকর দুর্ঘটনায়। ওই দুর্ঘটনা প্রাণ কাড়ে নেপালের তৎকালীন অসামরিক বিমান পরিষেবা মন্ত্রী, তার সহকারী, অসামরিক বিমান মন্ত্রনালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর এবং ডেপুটি সেক্রেটারির। ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয় গোটা দেশ।
উল্লেখ্য, ১৬ বছর আগে ২০০৬ সালের ২১ জুন এক বিমান দুর্ঘটনাতে স্বামীকে হারিয়েছিলেন অঞ্জু খাতিওয়াড়া। কাকতালীয়ভাবে সেটিও ছিল ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমান। ৯এল এইকিউ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছিল ৬ যাত্রী এবং ৪ ক্রু সদস্যের। অঞ্জুর স্বামী ছিলেন বিমানটির কো-পাইলট।
প্রসঙ্গত, ইয়েতি এয়ারলাইন্সের এটিআর-৭২ বিমানটিতে বিমান কর্মী ও যাত্রী মিলিয়ে ৭২ জন ছিলেন।সকলেরই মৃত্যু হয়েছে। রবিবার যাত্রীবাহী বিমানটি পুরোনো পোখরা বিমানবন্দর এবং পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে সেতি নদীর অববাহিকায় পাহাড় ঘেরা বনভূমির মধ্যে ভেঙে পড়ে।