আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি আরবে ব্যাপক ধরপাকড় চালানো হয়েছে। এ অভিযানে ২১ হাজারের বেশি প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বসবাস, সীমান্ত ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে একাধিক সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। এতে ২১ হাজার ১৩৪ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে ১৩ হাজার ১২৮ জনের বিরুদ্ধে বসবাস আইন লঙ্ঘন, চার হাজার ৮২৬ জনের বিরুদ্ধে সীমান্ত নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং তিন হাজার ১৮০ জনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২২ হাজার ৭১ জনকে নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাঁচ হাজার ৭৮ জনকে ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার অধীনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ সপ্তাহে ১১ হাজার ৬৭৪ জনকে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
গালফ নিউজ জানিয়েছে, অভিযানে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় এক হাজার ৬৬৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ ইথিওপিয়ান, ৪২ শতাংশ ইয়েমেনি এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। অভিযান চলাকালে ৩১ জন সৌদি আরব থেকে অবৈধভাবে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় ধরা পড়ে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানে আরও ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মকারীদের পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থান দিয়ে সহায়তা করছিলেন। দেশটিতে বর্তমানে মোট ৩১ হাজার ৯১ জন বিদেশির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৫৩৮ জন পুরুষ ও এক হাজার ৫৫৩ জন নারী রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব ব্যক্তি আইন লঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়, পরিবহন বা যে কোনো সহযোগিতা করবে তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ লাখ রিয়াল জরিমানা এবং ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তি জব্দ করা হবে।