আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের ওপর একটি অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এ আগ্রাসন শুরু করার প্রথম দিনেই ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির সরকার ও সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েক শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে।
এরপর থেকে কঠোর ভাষায় জবাব দিয়ে যাচ্ছে ইরান। প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে সরাসরি তেল আবিব এবং উপসাগরীয় দেশগুলোয় অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন ছুড়ছে তেহরান।
আগ্রাসনের জবাবে ইসরাইলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট হওয়ার অভিযোগে ইরান ইউরোপের দেশ সাইপ্রাসেও হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল। যদিও ইরান তা অস্বীকার করেছে।
পরে অবশ্য ইরানে তৈরি ড্রোন দিয়ে ওই হামলা চালানোর দাবি করেছিল লেবাননের তেহরান সমর্থিত ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
এবার ইউরোপের দেশ রোমানিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা করার জন্য ঘাঁটি দিতে যাচ্ছে। এতে দেশটি ইরানের নতুন টার্গেটে পরিণত হতে পারে, কারণ যারাই যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করছে, হামলা চালানোর সুযোগ দিচ্ছে তাদেরই লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে ইরান।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র রোমানিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকুশোর দান।
রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও জানান, মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান (জ্বালানি সরবরাহকারী), নজরদারি সরঞ্জাম এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা রোমানিয়ার ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রটির শীর্ষ প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের বৈঠকে মার্কিন এ অনুরোধ অনুমোদিত হয়েছে। আজই দেশটির পার্লামেন্টও এর চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা