মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৫:২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ : এবার যোগ দিতে পারে আরও যে দুই দেশ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ : এবার যোগ দিতে পারে আরও যে দুই দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলায়, দেশ দুটি ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সক্রিয়ভাবে যোগদানের দিকে অগ্রসর হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াদ মার্কিন বাহিনীকে তার সীমানার মধ্যে একটি বিমান ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার পর উপসাগরীয় দেশগুলো আরও সক্রিয় ভূমিকার দিকে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে।

 সংবাদমাধ্যমটির দেয়া উদ্ধৃতি অনুসারে, সিদ্ধান্তটির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের যুদ্ধে প্রবেশ করাটা কেবল সময়ের ব্যাপার, কারণ গত সপ্তাহে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইরানি হামলার প্রতি তাদের ধৈর্য অসীম নয়।
 
প্রতিবেদন মতে, ইরান যুদ্ধের আগে রিয়াদ প্রাথমিকভাবে মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে অস্বীকার করেছিল। 

২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করার পর, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলের সম্পদ লক্ষ্য করে হামলার জবাব দেয়।
 
ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপরও কার্যত অবরোধ আরোপ করেছে, যে পথ দিয়ে সাধারণত বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস প্রবাহিত হয়, যার ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যায়।

এখন শক্তি প্রয়োগের প্রাথমিক বিরোধিতা সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখতে চাপ দিচ্ছে, যাতে এই যুদ্ধ শেষে ইরানের সামরিক শক্তি এতটাই হ্রাস পায় যে তা তাদের জন্য আর কোনো হুমকি হয়ে না থাকে। গত সপ্তাহে বিভিন্ন উপসাগরীয় রাজধানীর প্রতিনিধিত্বকারী চারজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ‘দ্য টাইমস অব ইসরাইল’কে এ কথা জানিয়েছেন।
 
দেশগুলো এখনও নিজেরা কোনো হামলা চালায়নি, কারণ উপসাগরীয় নেতারা একটি ব্যাপকতর ও অনিয়ন্ত্রিত সংঘাত শুরু হওয়ার ব্যাপারে গভীরভাবে শঙ্কিত।

সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়, ইরানের ক্রমাগত হামলায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর তেহরানকে দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা পাইয়ে দেয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে দেশ দুটি মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতার দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে।
 
 তবে তারা এখনও এই লড়াইয়ে প্রকাশ্যে তাদের সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার মতো পদক্ষেপ নেয়নি।
 
প্রতিবেদন অনুসারে, সৌদি আরব সম্প্রতি মার্কিন বাহিনীকে আরব উপদ্বীপের পশ্চিম দিকে অবস্থিত কিং ফাহদ বিমান ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। 

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে