আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত বাতিল করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি বলেছেন, দ্রুত একটি সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার শর্তেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। খবর আলজাজিরার।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মাত্রার সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে হামলা স্থগিতের অনুরোধ আসার পর তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য চুক্তির মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালির তাৎক্ষণিক, সম্পূর্ণ ও অবাধভাবে উন্মুক্ত রাখা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসান।
ট্রাম্প আরও বলেন, বিশ্বের স্বার্থে এবং একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ইরানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তিনি হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে দ্রুত একটি চুক্তি সম্পন্ন না হলে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন।
এ ছাড়া তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলও এই সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য চুক্তির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
এর আগে খবর আসে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র বড় হামলা চালাতে পারে এমন সম্ভাবনাকে সামনে রেখে দখলদার ইসরায়েলের নিরাপত্তাবাহিনী নিজেদের প্রস্তুত করেছে। হামলার পর ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েলকে টার্গেট করতে পারে এমন বিষয় মাথায় ইসরায়েল তাদের সতর্কতা বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইসরায়েলে প্রায় ১০টি অতিরিক্ত আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এরিয়াল রিফুয়েলিং) বিমান মোতায়েন করতে যাচ্ছে। এর ফলে সেখানে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা ৩০টিরও বেশি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের সঙ্গে নতুন বিমানগুলো যুক্ত হবে। ইরানে বড় হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এসব বিমান পাঠানো হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়।