বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ০২:৪৮:০৪

কবে বাজারে আসছে আইফোন ১৮ প্রো, দাম কত, কী কী থাকছে এতে

কবে বাজারে আসছে আইফোন ১৮ প্রো, দাম কত, কী কী থাকছে এতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নতুন আইফোন ঘিরে প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের বিশেষ লঞ্চ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী রাত ১১টায় শুরু হতে পারে অনুষ্ঠানটি। ক্যালিফোর্নিয়ার স্টিভ জবস থিয়েটারে আয়োজিত এই ইভেন্টে একাধিক নতুন ডিভাইসের ঘোষণা আসতে পারে।

এবারের অনুষ্ঠানের ট্যাগলাইন রাখা হয়েছে ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’। সেপ্টেম্বরের লঞ্চ অ্যাপলের জন্য বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নতুন আইফোন বাজারে আসার পর বছরের শেষ প্রান্তে উৎসবের মরশুমকে কেন্দ্র করে বিক্রি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়।

আইফোন ১৮ প্রো-তে কী থাকছে?
এবারের সবচেয়ে আলোচিত ফোনগুলোর একটি হতে পারে আইফোন ১৮ প্রো। বিভিন্ন রিপোর্ট ও গুঞ্জন অনুযায়ী, আগের প্রজন্মের তুলনায় ফোনটির হার্ডওয়্যার ও ক্যামেরায় বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। ফোনটিতে অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো চিপ ব্যবহার করা হতে পারে। এর সঙ্গে ১২ জিবি র‍্যাম থাকার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। ডিসপ্লেতে আরও উন্নত ও উজ্জ্বল এলটিপিও+ প্রযুক্তি এবং তুলনামূলক ছোট ডায়নামিক আইল্যান্ড দেখা যেতে পারে।

ব্যাটারির ক্ষেত্রেও আপগ্রেড আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্যামেরায় থাকতে পারে ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান সেন্সর। পাশাপাশি পরিবর্তনশীল অ্যাপারচার প্রযুক্তি এবং স্ট্যাকড সেন্সর যুক্ত হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। তবে এসব স্পেসিফিকেশন এখনো অ্যাপলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

নতুন প্রযুক্তির পাশাপাশি আইফোন ১৮ প্রো-এর দাম নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। ভারতে ফোনটির প্রাথমিক দাম প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ রুপি হতে পারে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। তুলনায় আইফোন ১৭ প্রো-এর শুরুর দাম প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯০০ রুপি হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

আর ২৫৬ জিবি স্টোরেজের আইফোন ১৮ প্রো-এর সম্ভাব্য দাম প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯০০ রুপি এবং একই স্টোরেজের আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০০ রুপি হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এগুলো এখনো ফাঁস হওয়া বা অনুমানভিত্তিক দাম। অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে ফোনগুলোর মূল্য ঘোষণা না করা পর্যন্ত এগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ধরা যাবে না।

আইফোনের দাম বাড়ার সম্ভাবনার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে মেমরি কম্পোনেন্টের মূল্যবৃদ্ধি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিকাঠামো তৈরিতে বিপুল পরিমাণ মেমরির চাহিদা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়ছে। এর প্রভাব বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের উৎপাদন খরচেও পড়তে পারে। সূত্র: ম্যাশেবল

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে