এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : কৃষি ও নির্মাণ খাতে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে থাইল্যান্ড সরকার। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
গত ১৩ অক্টোবর থাইল্যান্ডের শ্রমনীতি-সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যে নতুন তিনটি দেশ থেকে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
থাইল্যান্ডের অর্থনীতিতে কৃষি ও নির্মাণ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই দুই খাতে শ্রমিকের ঘাটতি থাকায় উৎপাদন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে গিয়ে নতুন দেশ থেকে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।
সম্ভাব্য শ্রমিকের উৎস হিসেবে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাকে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শ্রমিক সংকট কমানোর পাশাপাশি কর্মী নিয়োগের উৎস আরও বিস্তৃত করতে চায় থাইল্যান্ড।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তিন দেশের জন্য এখনো নির্দিষ্ট নিয়োগ কোটা বা কর্মীর সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে নিয়োগের প্রাথমিক প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে প্রথম দফার কর্মীরা থাইল্যান্ডে যেতে পারেন। এরপর বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে পারে।
থাইল্যান্ডের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কৃষি ও নির্মাণ খাতে কাজের সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে কর্মী নিয়োগের নির্দিষ্ট সময়সূচি, সংখ্যা, বেতন, ভিসার শর্ত এবং আবেদনপ্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত চাকরির আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।