বিনোদন ডেস্ক : নিজের প্রযোজিত সিনেমা থেকে পাকিস্তানি গায়ক আতিফ আসলামের নাম বাদ দিলেন অভিনেতা সালমান খান। অনেকে বলছেন, এ কি সিদ্ধান্ত নিলেন সালমান খান! সন্ত্রাসীদের দায় কেন শিল্পীদের উপর পড়বে।
কাশ্মিরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনার পর থেকেই রাগে ফুঁসছে গোটা ভারত। সন্ত্রাসবাদী হামলার পরেই পাকিস্তানের শিল্পীদেরও বয়কট করতে চেয়েছিলেন অনেক ভারতীয় শিল্পী।
সোমবার সকালে ভারতবর্ষে কাজ করা পাকিস্তানের শিল্পীদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করে অল ইন্ডিয়া সিনে ওয়ার্কারস্ আ্যসোশিয়েশন। এরপরেই তড়িঘড়ি নিজের প্রযোজিত সিনেমা থেকে গায়ক আতিফ আসলামের নাম বাদ দিলেন অভিনেতা সালমান খান।
নোটিসে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরত সকল পাকিস্তানি অভিনেতা এবং শিল্পীদের সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই নোটিসে স্পষ্ট লিখে দেওয়া হয়েছে, কোনও ভারতীয় শিল্পী পাকিস্তানের শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এমনকী নিষিদ্ধও করা হতে পারে।
মূলত এই নির্দেশের পর নিজের সিনেমা "নোটবুক' থেকে আতিফকে এক প্রকার বাদ দিতে বাধ্যই হলেন সালমান। পাকিস্তানি শিল্পীদের প্রতি নরম মনোভাবের জন্য বার বার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সালমানকে।
২০১৬ তে সালমানের সিনেমা "সুলতান'-এর একটি গান প্রথমে গেয়েছিলেন অরিজিত সিং। কিন্তু, সেই গান পুনরায় রেকর্ড করানো হয় পাকিস্তানি গায়ক রাহাত ফতেহ আলি খানকে দিয়ে।
সালমানের অনুরোধেই এমন করা হয় বলে মত সমালোচকদের। ঘটনাটির বিবরণ দিয়ে ফেসবুকে পোস্টও করেন হতবাক অরিজিৎ সিং। তবে এখানেই শেষ নয়।
এর পরেও ২০১৮ তে "ওয়েলকাম টু নিউ ইয়র্ক' সিনেমাতে একটি গানের জন্য অরিজিতের বদলে শেষ মূহুর্তে নেওয়া হয় রাহাত ফতেহ আলি খানকে। এ ছাড়াও সালমানের লিপে আতিফের গাওয়া 'দিল দিয়া গল্লাও' বেশ জনপ্রিয়।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই পাক শিল্পী আতিফ আসলাম ও রাহাত ফতে আলি খানের সঙ্গে টি-সিরিজ কয়েকটি গান প্রযোজনা করে। যার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জনপ্রিয় গায় সোনু নিগমও। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনার পরেই ইউটিউব থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে সব গান।