শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৯, ০১:১১:০৯

নামের আগে 'মোহাম্মদ' লেখায় আদালতের সমন গ্রহণ করলেন না ইলিয়াস কাঞ্চন

নামের আগে 'মোহাম্মদ' লেখায় আদালতের সমন গ্রহণ করলেন না ইলিয়াস কাঞ্চন

বিনোদন ডেস্ক : প্রার্থীদের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যেই শুক্রবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। শুধু থেকে এই নির্বাচন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এ নির্বাচন স্থগিতাদেশ চেয়ে ১৫ অক্টোবর শিল্পী সমিতির দুই সদস্য মো. সোহেল খান ও মোহাম্মদ হোসেন লিটন প্রধান নির্বাচন কমিশনার চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বরাবর আইনি নোটিশ ইস্যু করেছিলেন। কিন্তু নোটিশটি ইলিয়াস কাঞ্চন পাননি বলে জানিয়েছেন। যদিও বাদীপক্ষ জানিয়েছেন, ইলিয়াস কাঞ্চন নোটিশটি গ্রহণ করেননি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোহাম্মদ সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত সেই নোটিশে বলা হয়েছে- সমিতির সর্বশেষ নির্বাচিত কমিটি (মিশা সওদাগর-জায়েদ খান) গঠনতন্ত্রবিরোধী অভিযোগ এনে ১৮১ সদস্যের ভোটাধিকার বাতিল করেছে। অথচ যে কারণে তাদের ভোটাধিকার বাতিল করা হয়েছে একই সমস্যা থাকার পরও নতুন কয়েকজনকে ভোটাধিকারসহ সদস্যপদ দিয়েছে বর্তমান কমিটি।

বিষয়টি সুরাহা না করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে তিনদিনের মধ্যে নির্বাচন বন্ধপূর্বক ভোটাধিকার বাতিল করা সদস্যদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছে। যেহেতু প্রধান নির্বাচন কমিশনার নোটিশটি গ্রহণ করেননি তাই নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাবার পর বৃহস্পতিবার একই ব্যক্তি বরাবর উচ্চ আদালত থেকে সমন আসে।

আবারও নির্বাচন কেন স্থগিত করা হবে না এই মর্মে তিন বিবাদীর নামে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সমন জারি হয়। উচ্চ আদালত সমন নিয়ে আসেন এস এম শফিউর রহমান নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু তাতে নামের আগে 'মোহাম্মদ' থাকায় সেটি গ্রহণ করেননি ইলিয়াস কাঞ্চন। নোটিশটি অন্য দুই বিবাদী শিল্পী সমিতির বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানও গ্রহণ করেননি।

আদালতের নোটিশ গ্রহণ না করার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আমি একজন পরিচিত অভিনেতা। আমাকে রাষ্ট্র কয়েকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দিয়েছে। একবার একুশে পদকও দিয়েছে। আমার নাম সেখানে ইলিয়াস কাঞ্চন। নোটিশে উল্লিখিত এই মোহাম্মাদ ইলিয়াস কাঞ্চনকে আমি চিনি না। তাই এটি আমার পক্ষে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।'

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদবী ও ঠিকানা ঠিক আছে। তাহলে গ্রহণ করতে সমস্যা কোথায়? এই প্রশ্নে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, 'আমি তর্কে যাব না। এটা আইনের ব্যাপার। নাম ঠিক হয়ে আসলে আমি এটা অবশ্যই গ্রহণ করব’।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে