শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ০৮:৫৪:১৯

আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন : কায়সার হামিদ

আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন : কায়সার হামিদ

বিনোদন ডেস্ক : কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে শোবিজ অঙ্গনে। ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) তিনি মারা যাওয়ার পর গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।

রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে মেয়ের সঙ্গে একটি হাসিমাখা ছবি পোস্ট করে কায়সার হামিদ লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা কায়সার একটু আগে চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে।’

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, ‘আমার মেয়ের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক।’

জানা গেছে, কয়েক দিন ধরেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল কারিনার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল।

কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, শুরুতে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা কায়সার। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই–জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু হয়। পাশাপাশি লিভার ট্রান্সপ্লান্টের প্রস্তুতিও চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিত ছিলেন কারিনা কায়সার হামিদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও কনটেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তিনি।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে