বিনোদন ডেস্ক : ঢাকাই ছবির কিং বলা হয় শাকিব খানকে। তার ছবি মানেই ব্যবসা সফল। আর তার ছবিতে প্রযোজকরা নির্ভারভাবেই লগ্নি করছেন। কেন না, শাকিব খানের ছবিতে লগ্নি করা অর্থ ফেরৎ পেতে বেগ পেতে হয় না কাউকেই।
শুধু তাই নয়, শাকিব খানের ছবি মুক্তির সময় অন্য যে কোন ছবি থেকেও বেশি সংখ্যক পেক্ষাগৃহ বরাদ্দ পেয়ে থাকে তার ছবি। এতোদিন এ ব্যাপারটা যেন নিয়মই ছিল। তবে সে নিয়ম এবার একটু অদল বদল হয়ে গেল! সে বদলের খেলায় এবারই প্রথম শাকিব খানকে পিছনে ফেলে বেশি সংখ্যক সিনেমা হল বরাদ্দ পেয়েছে বাপ্পি চৌধুরী।
জানা গেছে, আজ শুক্রবার মুক্তি একই সাথে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত ছবি ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি ২’। এতে তার সাথে আরও আছেন জয়া আহসান, ইমন, মৌসুমী হামিদ ও ওমর সানি। অন্যদিকে বাপ্পি চৌধুরী অভিনীত ছবি ‘অনেক দামে কেনা’। এতে তার সাথে আছেন মাহি ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল। এরমধ্যে শাকিব খানের ছবিটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডস মুভিজ ইন্টারন্যাশনাল ও বাপ্পির ছবিটি প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র বুকিং এজেন্ট সমিতি সূত্রে জানা গেছে, শাকিব খান অভিনীত ছবিটি এরই মধ্যে হল পেয়েছে ৪০টি আর বাপ্পির ছবিটি ১০০–এর কাছাকাছি।
এ ব্যাপারে বাপ্পি চৌধুরী জানান, ‘আমি অনেক খুশি। তবে আমি চাই প্রেক্ষাগৃহ পাওয়া শুধু নয়, ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে যেন সাফল্য পায়। শেষ যখন আমার “সুইটহার্ট” ছবিটি মুক্তি পায়, তখনো এমনটা হয়েছিল। কিন্তু ব্যবধানটা এত বেশি ছিল না। অল্প দিনের অভিনয়জীবনে এটি আমার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ সবই দর্শকের ভালোবাসার কারণেই হয়েছে।’
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র বুকিং এজেন্ট সমিতির সভাপতি সারোয়ার আলী ভূঁইয়া জানিয়েছেন, সাধারণত অন্য কোনো নায়কের সঙ্গে একই দিনে শাকিব খানের ছবি মুক্তি পেলে হল পাওয়ার ক্ষেত্রে শাকিবই এগিয়ে থাকেন। এর আগে দু–একবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। কিন্তু বাপ্পির সঙ্গে এবারের মতো ব্যবধান আগে হয়নি।
তাহলে এবার কেন এমন হল! এর কারণ তবে কি? এ প্রসঙ্গে সারোয়ার আলী ভূঁইয়া জানিয়েছেন, এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, বাপ্পির ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে অনেকগুলো হল। তারা চাইলেই একটি ছবি ১০০টি হলে মুক্তি দিতে পারে। অন্যদিকে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি ২’ ছবিটি হল বরাদ্দ পেয়েছে এর শিল্পীদের কারণেই।
৮ এপ্রিল, ২০১৬/এমটিনিউজ২৪/এসপি/এমএন