এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : ‘দেনার দায়ে’ চাঁদপুর শহরের এসকে শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) তাদের নিখোঁজের তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে।
ওই পরিবারের নিখোঁজ অন্য তিন সদস্য হলেন পিন্টু দাসের স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস।
উপমা দে জানান, পিন্টু দাস তার পরিবারসহ শহরে ভাড়া থাকতেন। তবে সম্প্রতি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। পাওনাদারদের একজন তাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছিলেন।
সম্ভবত এর পরই তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে আছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পিন্টু দাস স্বর্ণালংকারের বন্ধকি ব্যবসা করতেন। সর্বশেষ তিনি শহরের মদিনা মার্কেটের নিচতলায় ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন।
রাসেল খান নামের একজন দাবি করেন, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার পিন্টুর কাছে ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন।
পরে টাকা ফেরত দিয়ে তিনি তার স্বর্ণালংকার আনতে যান। কিন্তু পিন্টু স্বর্ণ না দিয়ে তাকে পরের দিন আসতে বলেন। এরপর তিনি পিন্টুর সপরিবারে নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পান। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
জাহিদুল ইসলাম নামের আরেক ব্যক্তি ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণ পিন্টুর কাছে বন্ধক রাখার দাবি করে জানান, মার্কেটটিতে ৫-৬ মাস আগে এসকে শিল্পালয় নামে দোকান ভাড়া নেন পিন্টু। তার মূল বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। কুমিল্লা ও মুদাফফরগঞ্জে তাদের আত্মীয় আছে। এখন তিনি উধাও নাকি নিখোঁজ, তা জানা নেই।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ জানান, পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। এলাকাবাসীর কাছে জানতে পেরেছেন, তিনি অনেক ঋণ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ঋণের টাকা পরিশোধ না করতে পারায় তিনি আত্মগোপনে আছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।