বৃহস্পতিবার, ০১ মার্চ, ২০১৮, ০৫:১৩:৪২

যশোরের চৌগাছায় একসাথে লাল্টু, মন্টু ও ঝন্টুর জন্ম দিলো কাজলি!

যশোরের চৌগাছায় একসাথে লাল্টু, মন্টু ও ঝন্টুর জন্ম দিলো কাজলি!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : যশোরের চৌগাছায় একটি দেশি প্রজাতির গাভি একসাথে তিনটি এঁড়ে (পুরুষ) বাছুরের জন্ম দিয়েছে। তিনটি বাছুর ও মা গাভীটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে।

বুধবার বিকেলে উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের মাঠচাকলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গেলে গাভীটির মালিক শাহাজ্জেল হোসেন বলেন, তিনি ও তার ছেলে জাহিদুল ইসলামের ছোট বড় ২৫টি গরু রয়েছে। এদের ১২টি গাভীর ৮টির’ই বর্তমানে ছোট বাছুর রয়েছে এবং গাভিগুলি দুধ দিচ্ছে। বুধবার মাঠের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দেখি, আমার গাভিন (সন্তানসম্ভবা) গাভি কাজলি (গরুটির নাম) সড়কের পাশে শুয়ে রয়েছে। পাশে তিনটি সদ্যজন্ম নেয়া বাছুর। তখন আমি আসপাশের লোকজনের সহায়তায় গাভিসহ বাছুরগুলো বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে গ্রাম্য পশু চিকিৎসক আব্দুল ওয়াহেদের কাছ থেকে চিকিৎসা দেই। বর্তমানে গাভী ও তিনটি বাছুরই সুস্থ রয়েছে। তবে তিনটি বাছুর হওয়ায় মা গাভীটির দুধে সংকুলান না হওয়ায় অন্য গাভীর দুধ খাওয়ানো হচ্ছে। আদর করে তারা বাছুর তিনটির নাম রেখেছেন লাল্টু, মন্টু ও ঝন্টু।

শাহাজ্জেল হোসেন বলেন, তিনি প্রতিদিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাঠে ক্ষেতে কাজ করেন। সেখান থেকে ফিরে বিকেলে গরুগুলি চরাতে (খাওয়াতে) মাঠে নিয়ে যান। তিনি বলেন, একই গ্রামের হাফিজুর রহমানের ২৪টি ও মোশারফ হোসেনের ২৬টি গরু রয়েছ। আমরা তিনজন একসাথে মাঠে ও গ্রামের মাঠের সড়কের পাশে গরু চরাই।

শাহাজ্জেলের স্ত্রী হাজেরা বেগম বলেন, বাছুর তিনটিকে বোতলে ফিডার নিপিল লাগিয়ে অন্য গরুর দুধ খাওয়াচ্ছি।

মজার ব্যাপার হলো, শাহাজ্জেলের এটি কোনো গরুর ফার্ম নয়। এমনকি তার বাড়িতে এতগুলো গরুকে একসাথে খাবার দেয়ার জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থাও (ডিব্বা) নেই। এ খবর লোক মুখে ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী-পুরুষ বাছুর ও গাভীটিকে দেখতে আসছে।

পশু চিকিৎসক আব্দুল ওয়াহেদ এক গাভির তিন বাছুর চিকিৎসা করার কথা নিশ্চিত করেছেন। গ্রামের ইউপি সদস্য মাস্টার হাবিবুর রহমানও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এমটিনিউজ২৪.কম/টিটি/পিএস

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে