বৃহস্পতিবার, ০১ মার্চ, ২০১৮, ০৫:৩০:৫৫

বাথটাবে মৃত্যু হয় ১৯ হাজার মানুষের!

বাথটাবে মৃত্যু হয় ১৯ হাজার মানুষের!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : জাপানে বছরে বাথরুমে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৯ হাজারের মতো।  জার্নাল অব জেনারেল অ্যান্ড ফ্যামিলি মেডিসিনাতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বাথটাব অথবা বাথরুমে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে এমন হলিউড তারকার সংখ্যাও কম নয়। কিল মি ডেডলির তারকা অ্যালবার্ট ডেকার থেকে শুরু করে গায়ক জিম মরিসন, এমনকি অভিনেত্রী জুডি গারল্যান্ডের মৃত্যুও হয়েছেন এভাবে।

এ তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম হলো রক অ্যান্ড রোল-এর প্রবাদ প্রতিম গায়ক এলভিস প্রেসলি। বাথরুমে মৃত অবস্থায় তাকে পাওয়া গিয়েছিল। প্রথমে তার মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ বলা হলেও পরে জানা যায়, তারকার ইমেজের কথা মাথায় রেখেই অসত্য বলা হয়েছিল। আসলে এলভিসের মৃত্যু হয়েছিল ১০টি নিষিদ্ধ ওষুধ বেশি মাত্রায় খাওয়ার কারণে। কাজেই মাত্র দেড় ফুট গভীরতার বাথটাবে পড়ে মৃত্যু কিভাবে সম্ভব, শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর সেই প্রশ্ন উঠলেও দুনিয়াজুড়েই এমন মৃত্যুর নজির রয়েছে অসংখ্য।

বাথটাবে কারো মৃত্যুর ঘটনা বলিউডে প্রথম হলেও হলিউডে এমন ঘটনা নতুন কিছু নয়। হলিউডে অনেক সেলিব্রিটিরই মৃত্যু ঘটেছে বাথটাবে। আর বিশ্বজুড়েও বাথটাবে মৃত্যুর ঘটনা বিরল নয়। গড়ে প্রতিদিন একটি করে বাথটাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে যুক্তরাষ্ট্রে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু মার্কিন সরকারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী দেশটিতে বন্দুক হামলার চেয়ে অনেক বেশি শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটে বাথটাবে। কিভাবে এমন মৃত্যু রোধ করা যায় তার উপায় খুঁজছেন মার্কিনিরাও। তাই বাথটাব বা বাথরুমে মৃত্যু অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।

বরং এ ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে সারা বিশ্বে। বাথটাবে মৃত্যুর তালিকায় বিখ্যাত গায়ক জিম মরিসনের ঘটনাটা সবচেয়ে অদ্ভুত। প্যারিসের অ্যাপার্টমেন্টের বাথটাবে জিম ও তার বান্ধবীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকেরা জিমের লাশ পরীক্ষা করে অস্বাভাবিক কিছু খুঁজে পাননি। সে কারণে ময়নাতদন্ত করা হয়নি জিম মরিসনের।

শ্রীদেবীর মৃত্যু : একইভাবে মারা গিয়েছিলেন বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী!

দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক কেমন ছিল? তা নিয়ে একসময় তোলপাড় ছিল মিডিয়া। ১৯৯৬ সালে প্রথম স্ত্রী মোনাকে ডিভোর্স দিয়েই বলিউডের সাড়া জাগানো নায়িকা শ্রীদেবীর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন বনি কাপুর। তা নিয়ে বিস্তর পানিঘোলা হয়েছিল। কিন্তু এখন যাবতীয় জল্পনার ইতি। তবুও শেষের এই পথ কোথাও না কোথাও যেন মিলে গেল বনির দুই স্ত্রীর।

১৯৮৩ সালে মোনার সঙ্গে বিয়ে হয় বনি কাপুরের। '৯৬ সালে মোনার সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে শ্রীদেবীকে আপন করে নেন বলিউড প্রযোজক। দুই পক্ষেরই দুই সন্তান। ছেলে অর্জুন ও মেয়ে অংশুলাকে নিয়ে আলাদাই থাকতেন মোনা। বনি থাকতেন শ্রী ও দুই কন্যা খুশি-জাহ্নবীর সঙ্গে। আলাদা ছিল দু’জনের সংসার। আলাদা জীবন। কিন্তু মৃত্যু কোথাও যেন মিলিয়ে দিয়ে গেল দু’জনকে। এভাবেই আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়েছিলেন মোনা। মৃত্যুর মাত্র দুই মাস আগে বনির সাবেক স্ত্রী জানতে পারেন মারণরোগ ক্যানসারে আক্রান্ত তিনি। তখন আর কিছুই করার নেই। ২০১২ সালের ২৫ মার্চ মৃত্যু হয় মোনার। ঠিক তার দুই মাস পরই ১১ মার্চ মুক্তি পায় ছেলে অর্জুনের প্রথম ছবি ‘ইশকজাদে’। মৃত্যুর সময় মোনার বয়স ছিল মাত্র ৪৮।

এদিকে মাত্র ৫৪ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হন শ্রীদেবী। তার মৃত্যু আরো আকস্মিক। স্বামীর সঙ্গে নাকি ডিনার করার কথা ছিল বলিউডের ‘চাঁদনি’র। তার আগে ফ্রেশ হতে বাথরুমে গিয়েছিলেন। অনেকক্ষণ বাথরুম থেকে বের হচ্ছেন না দেখে বনির সন্দেহ হয়। দরজা ভেঙে দেখা যায় বাথটবে পড়ে রয়েছে গ্ল্যামার ক্যুইনের নিথর দেহ। আর অদ্ভুতভাবে শ্রী-র কন্যা জাহ্নবীও এই মুহূর্তে বলিউডে নিজের ডেবিউ করতে চলেছেন। জুলাই মাসের ছয় তারিখ মুক্তি পাবে ইশান-জাহ্নবীর প্রথম ছবি ‘ধড়ক’। মেয়ের প্রথম ছবি দেখার বড় ইচ্ছে ছিল শ্রী-র। কিন্তু তা আর হলো না। মোনার মতোই মৃত্যুর কাছে হার মানতে হলো তাকেও। বনির জীবনের জীবনের দুই নারীর জীবন কাহিনি যেন একইভাবে শেষ হল। হয়তো কাকতালীয়! তবু এই আশ্চর্য সমাপতনে চমকে গিয়েছে বলিপাড়া। -টাইমস অব ইন্ডিয়া
এমটিনিউজ২৪.কম/এইচএস/কেএস

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে