এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: কাঠ চেরা। নিখুঁত ভাবে টুকরো তৈরি। পরে জোড়া লাগিয়ে আসবাব বানানো। দক্ষহাতেই চলছে কাঠের কাজ। তবে এটি করছে কোনো ব্যক্তি নন। একটি রোবট।
গবেষকরা এমনই রোবট তৈরি করেছে যা কাঠের আসবাবপত্র তৈরি করতে সক্ষম। রোবটটি তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) একদল গবেষক। কঠের কাজ জানা রোবটটির নাম দেওয়া হয়েছে রুম্বা।
গবেষকরা বলেছেন, মানুষের কাজের বদলে এই রোবটকে প্রতিস্থাপিত করার লক্ষ্য তাদের নেই। বরং নতুন আর অন্যান্য কাজ এবং ডিজাইনের ক্ষেত্রে কীভাবে আরও সফল হওয়া যায় সেই লক্ষ্যেই রুম্বাকে আরও উন্নত করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে যে এই ধরনের সিস্টেম নিরাপত্তা ব্যবস্থারও উন্নত করবে।
প্রতি বছর হাজার হাজার কাঠমিস্ত্রী কাজের সময়ে তাদের হাত ও আঙ্গুলে আঘাতপ্রাপ্ত হন, জানায় এই দলটি। অদক্ষ কর্মীদের বদলে এই রোবটটি হয়তো ভালো কাজ করতে পারে।
রোবোটিকস এর আগে মাস-প্রডিউসড, ফ্ল্যাট-প্যাক আসবাবপত্র তৈরির কাজ করেছে। কিন্তু এই এমটিআই এই রোবট আবিস্কারের মাধ্যমে আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এবং স্পেসের কাস্টম আসবাব তৈরির জন্য রোবটটি নতুন পথ তৈরি করতে পারে।
এই রোবট কাঠ সঠিকভাবে কাটতে পারবে, হবে, প্রয়োজনীয় গর্ত কতে পারবে, নিত্যনতুন ডিজাইন আনতে পারবে, এক ঘর থেকে অরন্য ঘবে আসবাব বহনও করতে পারবে।
একজন মানুষের তুলনায় এই অটোস (AutoSaw) রোবট বেশ সস্তা এবং ভালো বহনযোগ্য। রুম্বার পাশাপাশি এই প্রজেক্টটি জার্মান ফার্ম কুকা থেকে আরও দুটি রোবট ব্যবহার করবে।
সহজে অ্যাকসেস
এমআইটি এর এই কাজের লক্ষ্যই হলো আগের তুলনায় উচ্চমানের সুন্দর আসবাবপত্র সবার কাছে আরও সহজলভ্য করা। এবং উৎপাদন পদ্ধতি আরও বেশি নিরাপদ করা।
এমআইটি-এর ইন-হাউজ পাবলিকেশনে প্রকাশিত এক আর্টিকেলে ড্যানিয়েলা রাশ বলেন, `রোবটগুলি ইতিমধ্যে ব্যাপক উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে। এর কারণেই এর উন্নয়ন এবং উৎপাদনে এতো সুবিধা হয়েছে।‘
তার দলটি এই সিস্টেমের গবেষণার ব্যাপারে বলে, এই রোবট নির্দিষ্ট আকারের যেমন চেয়ার, শেড, টেবিল এবং ডেস্কের কাঠ কাটতে পারে।
এমটিনিউজ২৪.কম/এইচএস/কেএস